ঢাকা ০৩:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

ফ্রান্সে ইসরাইলের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ দায়ের: নিহত বাবা-মায়ের বিচার চাইলেন শিল্পী আলি চেরি

লেবানিজ বংশোদ্ভূত বিশিষ্ট ফরাসি শিল্পী আলি চেরি ইসরাইলের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ দায়ের করেছেন। ২০২৪ সালে বৈরুতে তার পারিবারিক বাড়িতে ইসরাইলি হামলায় বাবা-মা নিহত হওয়ার ঘটনায় তিনি ফ্রান্সে এই অভিযোগ দায়ের করেন।

আলি চেরি আল জাজিরাকে বলেন, ‘আমার বাবা মাহমুদ চেরি, আমার মা নাদরা হায়েক। তারা ছিলেন সাধারণ মানুষ। যা ঘটেছে তা মেনে নেওয়া বা উপলব্ধি করাও খুব কঠিন। এত কাছের একজনকে এমন সহিংস, ভয়াবহ উপায়ে হারানো।’ তিনি এই হামলার তদন্তের জন্য ফ্রান্সের যুদ্ধাপরাধ ইউনিটের কাছে দাবি জানিয়েছেন এবং বলেছেন, এর জন্য দায়ীদের অবশ্যই বিচারের আওতায় আনতে হবে।

ইসরাইলের দাবি, তারা সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর ব্যবহৃত স্থাপনাগুলো ধ্বংস করতে লেবাননের রাজধানীতে বিমান হামলা চালিয়েছিল। তবে আলির মামলাটি খতিয়ে দেখেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা এবং অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। তারা জানিয়েছে, আলির বাবা-মা যে ভবনটিতে থাকতেন তার ভেতরে বা আশেপাশে কোনো সামরিক লক্ষ্যবস্তুর প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

এই তথ্যপ্রমাণের পরিপ্রেক্ষিতে, আলির আইনজীবী ক্লেমেন্স বেক্টার্তে জানান, ফরাসি আইন অনুযায়ী ইসরাইলের হামলাটি যুদ্ধাপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে। বেক্টার্তে আল জাজিরাকে বলেন, ‘ইসরাইলের সামরিক ও রাজনৈতিক কর্তৃপক্ষ সামরিক সরঞ্জাম থাকার কথা বলে অপরাধগুলোর পক্ষে এক ধরনের সাফাই গাইছে। হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে লড়াইয়ের নামে তারা বলছে সবকিছুই ন্যায্য।’ তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক আইনে সামরিক বাহিনীর আচরণের কিছু নিয়মকানুন রয়েছে এবং তা অবশ্যই মেনে চলতে হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এসএসসি পরীক্ষার্থীর সংখ্যা হ্রাস, তবে দাখিল পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বৃদ্ধি

ফ্রান্সে ইসরাইলের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ দায়ের: নিহত বাবা-মায়ের বিচার চাইলেন শিল্পী আলি চেরি

আপডেট সময় : ০১:৫৪:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

লেবানিজ বংশোদ্ভূত বিশিষ্ট ফরাসি শিল্পী আলি চেরি ইসরাইলের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ দায়ের করেছেন। ২০২৪ সালে বৈরুতে তার পারিবারিক বাড়িতে ইসরাইলি হামলায় বাবা-মা নিহত হওয়ার ঘটনায় তিনি ফ্রান্সে এই অভিযোগ দায়ের করেন।

আলি চেরি আল জাজিরাকে বলেন, ‘আমার বাবা মাহমুদ চেরি, আমার মা নাদরা হায়েক। তারা ছিলেন সাধারণ মানুষ। যা ঘটেছে তা মেনে নেওয়া বা উপলব্ধি করাও খুব কঠিন। এত কাছের একজনকে এমন সহিংস, ভয়াবহ উপায়ে হারানো।’ তিনি এই হামলার তদন্তের জন্য ফ্রান্সের যুদ্ধাপরাধ ইউনিটের কাছে দাবি জানিয়েছেন এবং বলেছেন, এর জন্য দায়ীদের অবশ্যই বিচারের আওতায় আনতে হবে।

ইসরাইলের দাবি, তারা সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর ব্যবহৃত স্থাপনাগুলো ধ্বংস করতে লেবাননের রাজধানীতে বিমান হামলা চালিয়েছিল। তবে আলির মামলাটি খতিয়ে দেখেছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা এবং অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল। তারা জানিয়েছে, আলির বাবা-মা যে ভবনটিতে থাকতেন তার ভেতরে বা আশেপাশে কোনো সামরিক লক্ষ্যবস্তুর প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

এই তথ্যপ্রমাণের পরিপ্রেক্ষিতে, আলির আইনজীবী ক্লেমেন্স বেক্টার্তে জানান, ফরাসি আইন অনুযায়ী ইসরাইলের হামলাটি যুদ্ধাপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে। বেক্টার্তে আল জাজিরাকে বলেন, ‘ইসরাইলের সামরিক ও রাজনৈতিক কর্তৃপক্ষ সামরিক সরঞ্জাম থাকার কথা বলে অপরাধগুলোর পক্ষে এক ধরনের সাফাই গাইছে। হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে লড়াইয়ের নামে তারা বলছে সবকিছুই ন্যায্য।’ তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক আইনে সামরিক বাহিনীর আচরণের কিছু নিয়মকানুন রয়েছে এবং তা অবশ্যই মেনে চলতে হবে।