ঢাকা ০২:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

ভাঙ্গায় মধ্যরাতে টর্চলাইট জ্বালিয়ে দুপক্ষের সংঘর্ষে আহত ২৫

ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গায় মধ্যরাতে টর্চলাইট জ্বালিয়ে দুপক্ষের সংঘর্ষে নারী ও শিশুসহ ২৫ জন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে উপজেলার হামিরদী ইউনিয়নের গুপিনাথপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। আহতদের উদ্ধার করে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও জেলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

পৃথক দুটি সূত্রে জানা গেছে, হামিরদী ইউনিয়নের গোপীনাথপুর গ্রামের বিবদমান ইসমাইল মুন্সির সঙ্গে চুন্নুমিয়া গ্রুপের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে গ্রামের একটি চায়ের দোকানে চুন্নু মিয়ার ছেলে ইব্রাহিম ও ইসমাইল মুন্সির ছেলে ফুয়াদ চা পান করতে গিয়ে মসজিদের ইফতার দেওয়া ও না দেওয়া নিয়ে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে দুই পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে একে অপরকে ঘায়েল করতে রাতের অন্ধকারে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়ে ওঠেন। অন্ধকারে টর্চলাইট জ্বালিয়ে প্রায় ঘণ্টাব্যাপী ধাওয়া ও পাল্টা চালানোর সময় উভয় পক্ষের ১৫ জন আহত হয়। খবর পেয়ে পুলিশের হস্তক্ষেপে হামেরদী ও গোপিনাথপুর গ্রামের মাতুব্বরদের সহযোগিতায় সংঘর্ষ বন্ধ হয় বলে জানান ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. লিটন মিয়া।

সংঘর্ষের আরেকটি ঘটনা ঘটেছে উপজেলার কালামৃধা ইউনিয়নের আটরা ভাষড়া গ্রামে। বাড়ির সীমানা প্রাচীর নিয়ে ইফতার পরবর্তী সময়ে মজিদ ফকির পরিবার ও রিজজিক ফরায়জী পরিবারের মধ্যে সংঘর্ষে মহিলা ও শিশুসহ কমপক্ষে ১০ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। আহতরা হলেন, জালাল ফকির, লাবনী আকতার, সাহিন ফকির, জালাল, রজো ফকির, সুরুক জান, আবু সাঈদ, রিজজিক ফরায়জী, তার শিশু কন্যা রুপালি, ভাতিজা হাবিব ফরায়জী ও কামাল খলিফা। গুরুতর আহত কামাল খলিফাকে জেলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন রিজজিক ফরায়জী। ভাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মিজানুর রহমান গণমাধ্যম কর্মীদের জানিয়েছেন, পৃথক দুটি ঘটনায় থানায় অভিযোগ পাওয়ার পর আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যুদ্ধকালীন উত্তেজনার মাঝেও হরমুজ প্রণালীতে রেকর্ড সংখ্যক জাহাজ চলাচল

ভাঙ্গায় মধ্যরাতে টর্চলাইট জ্বালিয়ে দুপক্ষের সংঘর্ষে আহত ২৫

আপডেট সময় : ০৫:৪৬:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬

ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গায় মধ্যরাতে টর্চলাইট জ্বালিয়ে দুপক্ষের সংঘর্ষে নারী ও শিশুসহ ২৫ জন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে উপজেলার হামিরদী ইউনিয়নের গুপিনাথপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। আহতদের উদ্ধার করে ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও জেলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

পৃথক দুটি সূত্রে জানা গেছে, হামিরদী ইউনিয়নের গোপীনাথপুর গ্রামের বিবদমান ইসমাইল মুন্সির সঙ্গে চুন্নুমিয়া গ্রুপের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে গ্রামের একটি চায়ের দোকানে চুন্নু মিয়ার ছেলে ইব্রাহিম ও ইসমাইল মুন্সির ছেলে ফুয়াদ চা পান করতে গিয়ে মসজিদের ইফতার দেওয়া ও না দেওয়া নিয়ে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে দুই পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে একে অপরকে ঘায়েল করতে রাতের অন্ধকারে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়ে ওঠেন। অন্ধকারে টর্চলাইট জ্বালিয়ে প্রায় ঘণ্টাব্যাপী ধাওয়া ও পাল্টা চালানোর সময় উভয় পক্ষের ১৫ জন আহত হয়। খবর পেয়ে পুলিশের হস্তক্ষেপে হামেরদী ও গোপিনাথপুর গ্রামের মাতুব্বরদের সহযোগিতায় সংঘর্ষ বন্ধ হয় বলে জানান ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. লিটন মিয়া।

সংঘর্ষের আরেকটি ঘটনা ঘটেছে উপজেলার কালামৃধা ইউনিয়নের আটরা ভাষড়া গ্রামে। বাড়ির সীমানা প্রাচীর নিয়ে ইফতার পরবর্তী সময়ে মজিদ ফকির পরিবার ও রিজজিক ফরায়জী পরিবারের মধ্যে সংঘর্ষে মহিলা ও শিশুসহ কমপক্ষে ১০ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। আহতরা হলেন, জালাল ফকির, লাবনী আকতার, সাহিন ফকির, জালাল, রজো ফকির, সুরুক জান, আবু সাঈদ, রিজজিক ফরায়জী, তার শিশু কন্যা রুপালি, ভাতিজা হাবিব ফরায়জী ও কামাল খলিফা। গুরুতর আহত কামাল খলিফাকে জেলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন রিজজিক ফরায়জী। ভাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মিজানুর রহমান গণমাধ্যম কর্মীদের জানিয়েছেন, পৃথক দুটি ঘটনায় থানায় অভিযোগ পাওয়ার পর আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।