৬৩৪ খ্রিস্টাব্দের জুলাই মাসে আরবের উত্তপ্ত মরুভূমি থেকে উদ্ভূত এক ধূলিঝড় ফিলিস্তিনের সবুজ উপত্যকায় এক যুগান্তকারী যুদ্ধের সূচনা করেছিল। মধ্য ফিলিস্তিনের আজনাদাইন নামক এক অখ্যাত প্রান্তর মুহূর্তেই রূপান্তরিত হয়েছিল বিশ্ব ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ রণাঙ্গনে। এখানেই মুখোমুখি হয়েছিল দুটি ভিন্ন শক্তি: একদিকে রোমান সাম্রাজ্যের গৌরব, ঐশ্বর্য ও সামরিক অহংকার, অন্যদিকে মরুভূমিতে গড়ে ওঠা মুসলিম বাহিনীর অবিচল ঈমান, শৃঙ্খলা এবং দুর্দমনীয় রণকৌশল।
আবু বকর (রা.)-এর দূরদর্শী নেতৃত্বে শামের সীমান্তে মুসলিম বাহিনী বিচ্ছিন্নভাবে লড়াই করছিল। তবে ইরাকের রণক্ষেত্র থেকে খালেদ ইবনে ওয়ালিদের বজ্রগতির আগমন মুসলিম বাহিনীকে নতুন শক্তি জুগিয়েছিল। তার নেতৃত্বে বিচ্ছিন্ন বাহিনীগুলো একত্রিত হয়ে এক সুসংগঠিত ও শক্তিশালী যুদ্ধশক্তিতে পরিণত হয়, যা ইতিহাসের গতিপথ বদলে দেয়।
বুসরা পতনের পর বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের প্রশাসনিক ও সামরিক কাঠামোয় বড় ধরনের কম্পন অনুভূত হয়। সম্রাট হেরাক্লিয়াস তার ভাই থিওডোর এবং জেনারেল ভারদানের নেতৃত্বে এক বিশাল বাহিনী গঠন করেন, যার মূল লক্ষ্য ছিল মুসলিমদের অগ্রযাত্রা থামানো। আজনাদাইনের প্রান্তরে বাইজেন্টাইন বাহিনী সমবেত হওয়ার সাথে সাথে যুদ্ধের উত্তেজনা তুঙ্গে ওঠে। রোমানরা তাদের অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মুসলিম বাহিনীকে প্রতিহত করতে প্রস্তুত ছিল।
রিপোর্টারের নাম 





















