ভারত বাংলাদেশের সীমান্ত থেকে মাত্র ৩০ কিলোমিটার দূরে পশ্চিমবঙ্গের উত্তর দিনাজপুর জেলায় নতুন একটি সামরিক ঘাঁটি চালু করেছে। প্রতিবেশী দুই দেশের সম্পর্কের টানাপোড়েনের মধ্যেই দ্রুত সময়ের মধ্যে ঘাঁটিটি নির্মাণ ও কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলে ভারতীয় গণমাধ্যমে জানানো হয়েছে। পাশাপাশি আসামের ধুবরিতেও নতুন একটি সেনা স্টেশন গড়ে তোলা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) ভারতীয় সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল আর সি তিওয়ারি উত্তর দিনাজপুরের চোপড়ায় সীমান্তসংলগ্ন নবনির্মিত ঘাঁটি পরিদর্শন করেন।
ভারতীয় সেনার ইস্টার্ন কমান্ড এক্স (X)–এ এক পোস্টে জানায়, “লেফটেন্যান্ট জেনারেল আর সি তিওয়ারি, আর্মি কমান্ডার ইস্টার্ন কমান্ড, চোপড়া ডিফেন্স ল্যান্ডে মোতায়েন ব্রহ্মাস্ত্র কর্পসের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং সীমিত সময়ের মধ্যেই ঘাঁটিটি স্থাপনের জন্য সেনাদের প্রশংসা করেন।”
তিনি সৈন্যদের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি বজায় রাখতে এবং উদীয়মান নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সদা প্রস্তুত থাকার আহ্বান জানান।
এর আগে তিনি আসামের সীমান্ত এলাকায় ৪ (গজরাজ) কর্পস সদর দফতর পরিদর্শন করেন এবং ধুবরির বামুনিগাঁও এলাকায় “লাচিত বরফুকন সামরিক স্টেশন”-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
ইস্টার্ন কমান্ডের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নতুন সামরিক স্টেশন স্থাপন অঞ্চলটির সেনা সক্ষমতা ও অবকাঠামো উন্নয়নের পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। লেফটেন্যান্ট জেনারেল তিওয়ারি এ সময় সীমান্ত অঞ্চলের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং চলমান অবকাঠামো উন্নয়নকাজের অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন।
বিশ্লেষকদের মতে, ভারতের এই নতুন সামরিক স্থাপনা কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এবং এটি উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্তে সামরিক উপস্থিতি জোরদারের ইঙ্গিত বহন করছে, বিশেষত বাংলাদেশের সঙ্গে সাম্প্রতিক শীতল কূটনৈতিক সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে।
রিপোর্টারের নাম 

























