ঢাকা ০৯:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

৫ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে হোটেল ভাঙচুরের মামলা

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলায় ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে না পাওয়ায় এক ব্যবসায়ীর হোটেল ভাঙচুর ও হামলার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মাসুম বিল্লাহ গত ১৬ মার্চ হবিগঞ্জ দ্রুত বিচার আদালতে মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় শাহজাহানপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম আবুলকে প্রধান আসামি করা হয়েছে।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ‘মাসুম বিল্লাহ হোটেল’ পরিচালনা করে আসছেন ওই ব্যবসায়ী। অভিযুক্ত শফিকুল ইসলাম ও তার সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে তার কাছে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করে আসছিল। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা প্রাণনাশের হুমকি দেয় এবং একপর্যায়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হোটেলে হামলা চালায়।

হামলার সময় হোটেলের আসবাবপত্র, রান্নার সরঞ্জাম এবং অবকাঠামো ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়, যাতে প্রায় ২ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী। এই ঘটনার পর থেকে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে বলে জানা গেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ছে না: ইরানের ওপর পুনরায় হামলার স্পষ্ট ইঙ্গিত ট্রাম্পের

৫ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে হোটেল ভাঙচুরের মামলা

আপডেট সময় : ০৬:৫৭:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলায় ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে না পাওয়ায় এক ব্যবসায়ীর হোটেল ভাঙচুর ও হামলার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মাসুম বিল্লাহ গত ১৬ মার্চ হবিগঞ্জ দ্রুত বিচার আদালতে মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় শাহজাহানপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম আবুলকে প্রধান আসামি করা হয়েছে।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ‘মাসুম বিল্লাহ হোটেল’ পরিচালনা করে আসছেন ওই ব্যবসায়ী। অভিযুক্ত শফিকুল ইসলাম ও তার সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে তার কাছে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করে আসছিল। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা প্রাণনাশের হুমকি দেয় এবং একপর্যায়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হোটেলে হামলা চালায়।

হামলার সময় হোটেলের আসবাবপত্র, রান্নার সরঞ্জাম এবং অবকাঠামো ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়, যাতে প্রায় ২ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী। এই ঘটনার পর থেকে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে বলে জানা গেছে।