ঢাকা ০৩:০৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

বন্ধুর কবর খুঁড়তে গিয়ে কবরেই চিরবিদায় নিলেন অন্য বন্ধু

বন্ধুত্বের এক বিরল ও হৃদয়স্পর্শী দৃষ্টান্তের সাক্ষী হলো চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ পৌর এলাকা। দীর্ঘদিনের প্রিয় বন্ধুর শেষ বিদায়ের প্রস্তুতি নিতে গিয়ে কবরের ভেতরেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন আরেক বন্ধু। সোমবার সকালে ফরিদগঞ্জ পৌরসভার কেরোয়া গ্রামে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, ৮৫ বছর বয়সী বাচ্চু পাটোয়ারী সোমবার সকালে নিজ বাড়িতে ইন্তেকাল করেন। তার মৃত্যুর খবর শুনে ছুটে আসেন ৯০ বছর বয়সী বাল্যবন্ধু আবুল হাশেম। সারাজীবনের সঙ্গীর বিদায়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। এরপর জান্নাতের আশায় বন্ধুর শেষ ঠিকানা বা কবর খুঁড়তে নামেন তিনি। কিন্তু কবরের ভেতরেই তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং সেখানেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

পেশায় একজন কাঠমিস্ত্রি এবং অন্যজন ছিলেন মসজিদের মুয়াজ্জিন। এলাকাবাসীর মতে, এই দুই বন্ধু সারাজীবন ছায়ার মতো একে অপরের সঙ্গে ছিলেন। কেউ মারা গেলে তারা সচরাচর স্বেচ্ছায় কবর খুঁড়ে দিতেন। জীবনের শেষবেলায় এসেও তারা একে অপরকে ছেড়ে যাননি। জানাজা শেষে দুই বন্ধুকে একই দিনে পাশাপাশি দাফন করা হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদকবিরোধী সভায় ছাত্র হত্যা মামলার আসামির উপস্থিতি, শিবচরে তীব্র ক্ষোভ ও সমালোচনা

বন্ধুর কবর খুঁড়তে গিয়ে কবরেই চিরবিদায় নিলেন অন্য বন্ধু

আপডেট সময় : ১০:৩৫:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

বন্ধুত্বের এক বিরল ও হৃদয়স্পর্শী দৃষ্টান্তের সাক্ষী হলো চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ পৌর এলাকা। দীর্ঘদিনের প্রিয় বন্ধুর শেষ বিদায়ের প্রস্তুতি নিতে গিয়ে কবরের ভেতরেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন আরেক বন্ধু। সোমবার সকালে ফরিদগঞ্জ পৌরসভার কেরোয়া গ্রামে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, ৮৫ বছর বয়সী বাচ্চু পাটোয়ারী সোমবার সকালে নিজ বাড়িতে ইন্তেকাল করেন। তার মৃত্যুর খবর শুনে ছুটে আসেন ৯০ বছর বয়সী বাল্যবন্ধু আবুল হাশেম। সারাজীবনের সঙ্গীর বিদায়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। এরপর জান্নাতের আশায় বন্ধুর শেষ ঠিকানা বা কবর খুঁড়তে নামেন তিনি। কিন্তু কবরের ভেতরেই তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং সেখানেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

পেশায় একজন কাঠমিস্ত্রি এবং অন্যজন ছিলেন মসজিদের মুয়াজ্জিন। এলাকাবাসীর মতে, এই দুই বন্ধু সারাজীবন ছায়ার মতো একে অপরের সঙ্গে ছিলেন। কেউ মারা গেলে তারা সচরাচর স্বেচ্ছায় কবর খুঁড়ে দিতেন। জীবনের শেষবেলায় এসেও তারা একে অপরকে ছেড়ে যাননি। জানাজা শেষে দুই বন্ধুকে একই দিনে পাশাপাশি দাফন করা হয়েছে।