ঢাকা ০১:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

খালেদা জিয়াকে ‘স্লো পয়জনিং’ করে হত্যার চেষ্টা, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দায়ের

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে থাকাকালীন বিষ প্রয়োগ বা ‘স্লো পয়জনিং’-এর মাধ্যমে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে বলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে একটি লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে। ‘গণতন্ত্রের মা বেগম খালেদা জিয়া ফোরাম’-এর চেয়ারম্যান মমিনুল হক মিলন গত রবিবার চিফ প্রসিকিউটর বরাবর এই অভিযোগ দাখিল করেন।

ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, অভিযোগটি তারা গ্রহণ করেছেন। তবে এটি যেহেতু একটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর এবং পারিবারিক বিষয়, তাই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার আগে বেগম জিয়ার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে এবং এ বিষয়ে তাদের সুনির্দিষ্ট অবস্থান জেনে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

দাখিলকৃত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ১/১১-এর সময় থেকেই জিয়া পরিবারকে ধ্বংস করার একটি আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র শুরু হয়। এরই ধারাবাহিকতায় রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বানোয়াট মামলায় খালেদা জিয়াকে সাজা দিয়ে একটি পরিত্যক্ত ও অস্বাস্থ্যকর কারাগারে বন্দি রাখা হয়। অভিযোগকারীর দাবি, কারাবন্দি অবস্থায় যথাযথ চিকিৎসা না দিয়ে পরিকল্পিতভাবে তাকে বিষ প্রয়োগ করা হয়েছিল, যার ফলে তার শারীরিক অবস্থার চরম অবনতি ঘটে এবং তিনি মৃত্যুর মুখে পতিত হন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভুল সময়ে উইকেট পতনই হারের মূল কারণ, স্বীকারোক্তি নিক কেলির

খালেদা জিয়াকে ‘স্লো পয়জনিং’ করে হত্যার চেষ্টা, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দায়ের

আপডেট সময় : ১১:৫১:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে কারাগারে থাকাকালীন বিষ প্রয়োগ বা ‘স্লো পয়জনিং’-এর মাধ্যমে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে বলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে একটি লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে। ‘গণতন্ত্রের মা বেগম খালেদা জিয়া ফোরাম’-এর চেয়ারম্যান মমিনুল হক মিলন গত রবিবার চিফ প্রসিকিউটর বরাবর এই অভিযোগ দাখিল করেন।

ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, অভিযোগটি তারা গ্রহণ করেছেন। তবে এটি যেহেতু একটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর এবং পারিবারিক বিষয়, তাই পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়ার আগে বেগম জিয়ার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে এবং এ বিষয়ে তাদের সুনির্দিষ্ট অবস্থান জেনে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

দাখিলকৃত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ১/১১-এর সময় থেকেই জিয়া পরিবারকে ধ্বংস করার একটি আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র শুরু হয়। এরই ধারাবাহিকতায় রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বানোয়াট মামলায় খালেদা জিয়াকে সাজা দিয়ে একটি পরিত্যক্ত ও অস্বাস্থ্যকর কারাগারে বন্দি রাখা হয়। অভিযোগকারীর দাবি, কারাবন্দি অবস্থায় যথাযথ চিকিৎসা না দিয়ে পরিকল্পিতভাবে তাকে বিষ প্রয়োগ করা হয়েছিল, যার ফলে তার শারীরিক অবস্থার চরম অবনতি ঘটে এবং তিনি মৃত্যুর মুখে পতিত হন।