দেশের ক্রীড়াঙ্গনে প্রথমবারের মতো জাতীয় খেলোয়াড়দের জন্য নতুন ক্রীড়া কার্ডের প্রবর্তন করেছে সরকার। প্রাথমিক পর্যায়ে এই বিশেষ কার্ডের আওতায় আনা হয়েছে ৫০০ ক্রীড়াবিদকে, যা তাদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দেবে। বিশেষ করে, জাতীয় ফুটবল দলের খেলোয়াড়রা প্রথমবারের মতো মাসিক আর্থিক সুবিধার অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।
গতকাল যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর বাসভবনে এই ক্রীড়া কার্ড হাতে পেয়ে জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তিনি এই কার্ডকে ‘আমিনুল কার্ড’ হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, ‘সবাই বলছেন এটি ক্রীড়া কার্ড। আমি বলব এটা আমিনুল কার্ড, কারণ আগে কখনো কেউ খেলোয়াড়দের জন্য এভাবে ভাবেননি, আমিনুল ভাই ভেবেছেন এবং সব খেলোয়াড়ের জন্য করেছেন।’ কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক ফুটবলে জামালের অবদানের কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘বাংলাদেশের ফুটবল দলে এখন বিশ্বের নানা প্রান্ত থেকে খেলার আগ্রহ প্রকাশ করা হচ্ছে এবং খেলছেও। এটা প্রথম শুরু করেছিলেন জামাল। তাকে দেখে অনেকে এসেছে।’
তবে এই উদ্যোগের পাশাপাশি আক্ষেপও তৈরি হয়েছে। পেশাদার বক্সার সুর কৃষ্ণ চাকমা ক্রীড়া কার্ড না পাওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তিনি লেখেন, ‘নানা চড়াই-উতরাই পার করে আজকের এ অবস্থানে আসতে পেরেছি। কিন্তু সরকার মনোনীত ক্রীড়া কার্ড প্রদানের তালিকায় আমার নাম দেখলাম না। ক্রীড়া কার্ড সবচেয়ে দরকার আমাদের মতো পিছিয়েপড়া গেমসের জন্য।’ তিনি আরও বলেন, ‘অনেক গেমসের জাতীয় দলের খেলোয়াড়ও এখনো ক্রীড়া কার্ড পাননি, যারা বছরের পর বছর নীরবে দেশের জন্য লড়ে গেছেন। আমি মনে করি, টাকা অবশ্যই দরকার। কিন্তু টাকার চেয়ে স্বীকৃতি আরো সম্মানের।’
রিপোর্টারের নাম 






















