ঢাকা ১১:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

ফেনীতে প্রবাসী আয়ে ঈদের আনন্দ, নেপথ্যে মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের উদ্বেগ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১০:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

প্রবাসী অধ্যুষিত জেলা ফেনীতে ঈদকে কেন্দ্র করে রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয়ের প্রবাহ বাড়লেও মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বিদেশের মাটিতে হাড়ভাঙা খাটুনি খেটে প্রবাসীদের পাঠানো অর্থেই মূলত এ জেলার অর্থনীতির চাকা ঘোরে। ঈদ ও রমজান উপলক্ষে এই আয়ের পরিমাণ স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা স্থানীয় বাজারগুলোতে কেনাকাটার ধুম ফেলে দিয়েছে।

ফেনীর বিপণিবিতানগুলোতে এখন উপচেপড়া ভিড়। পরিবারের সদস্যদের জন্য নতুন পোশাক আর ঈদ উদযাপনের সব প্রস্তুতি চলছে প্রবাসীদের পাঠানো টাকায়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধাবস্থা প্রবাসী পরিবারগুলোর কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে। ব্যবসায়ীরাও শঙ্কিত যে, এই পরিস্থিতির অবনতি হলে ভবিষ্যতে রেমিট্যান্স প্রবাহে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

ব্যাংকগুলোতেও বেড়েছে গ্রাহকদের ভিড়। বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রমজান মাসে প্রবাসীরা সাধারণত বেশি টাকা পাঠান। জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসের তথ্যমতে, রেমিট্যান্স আহরণে ফেনী জেলা সারা দেশে শীর্ষস্থানীয় অবস্থানে রয়েছে। যুদ্ধের উৎকণ্ঠা থাকলেও প্রিয়জনদের মুখে হাসি ফোটাতে প্রবাসীরা বরাবরের মতোই তাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নরসিংদীতে কিশোর হত্যা মামলার রহস্য উন্মোচন: প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

ফেনীতে প্রবাসী আয়ে ঈদের আনন্দ, নেপথ্যে মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের উদ্বেগ

আপডেট সময় : ১০:১০:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

প্রবাসী অধ্যুষিত জেলা ফেনীতে ঈদকে কেন্দ্র করে রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয়ের প্রবাহ বাড়লেও মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বিদেশের মাটিতে হাড়ভাঙা খাটুনি খেটে প্রবাসীদের পাঠানো অর্থেই মূলত এ জেলার অর্থনীতির চাকা ঘোরে। ঈদ ও রমজান উপলক্ষে এই আয়ের পরিমাণ স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে প্রায় ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যা স্থানীয় বাজারগুলোতে কেনাকাটার ধুম ফেলে দিয়েছে।

ফেনীর বিপণিবিতানগুলোতে এখন উপচেপড়া ভিড়। পরিবারের সদস্যদের জন্য নতুন পোশাক আর ঈদ উদযাপনের সব প্রস্তুতি চলছে প্রবাসীদের পাঠানো টাকায়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধাবস্থা প্রবাসী পরিবারগুলোর কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে। ব্যবসায়ীরাও শঙ্কিত যে, এই পরিস্থিতির অবনতি হলে ভবিষ্যতে রেমিট্যান্স প্রবাহে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

ব্যাংকগুলোতেও বেড়েছে গ্রাহকদের ভিড়। বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রমজান মাসে প্রবাসীরা সাধারণত বেশি টাকা পাঠান। জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসের তথ্যমতে, রেমিট্যান্স আহরণে ফেনী জেলা সারা দেশে শীর্ষস্থানীয় অবস্থানে রয়েছে। যুদ্ধের উৎকণ্ঠা থাকলেও প্রিয়জনদের মুখে হাসি ফোটাতে প্রবাসীরা বরাবরের মতোই তাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।