ঢাকা ১১:৪০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

তারাগঞ্জে অস্বাস্থ্যকর লাচ্ছা সেমাইয়ের সয়লাব: চরম স্বাস্থ্যঝুঁকিতে সাধারণ মানুষ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১৩:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

আসন্ন ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার বাজারগুলোতে নিম্নমানের ও অস্বাস্থ্যকর লাচ্ছা সেমাইয়ের রমরমা ব্যবসা চলছে। আকর্ষণীয় প্যাকেটে মোড়ানো এসব সেমাইয়ের মান ও উৎপাদন প্রক্রিয়া নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে তীব্র ক্ষোভ ও সন্দেহ দেখা দিয়েছে। অনুসন্ধানে জানা গেছে, নীলফামারীর সৈয়দপুর ও কিশোরগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে অত্যন্ত নোংরা পরিবেশে এসব সেমাই তৈরি করে বাজারে সরবরাহ করা হচ্ছে।

প্যাকেটের গায়ে ‘ঘি ও ডালডায় ভাজা’ বলে দাবি করা হলেও প্রকৃতপক্ষে এসব সেমাই ভাজা হচ্ছে সস্তা পাম অয়েলে। অনেক ক্ষেত্রে প্যাকেটে বিএসটিআই-এর লোগো ব্যবহার করা হলেও সেগুলোর কোনো বৈধতা নেই। এমনকি অধিকাংশ প্যাকেটে উৎপাদন বা মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখও উল্লেখ করা হয়নি। স্থানীয়দের অভিযোগ, মুনাফালোভী ব্যবসায়ীরা স্বাস্থ্যবিধি তোয়াক্কা না করেই এসব ক্ষতিকর খাদ্যপণ্য বাজারজাত করছে।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতে, এসব নিম্নমানের সেমাইয়ে অনেক সময় টেক্সটাইল ডাই বা কাপড়ের রঙ ব্যবহার করা হয়, যা মানবদেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। তারাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. হামদুল্লাহ জানান, এ ধরনের ভেজাল খাবার খেলে ডায়রিয়া, আমাশয় ও ফুড পয়জনিং থেকে শুরু করে দীর্ঘমেয়াদে লিভার ও কিডনি বিকল হওয়ার ঝুঁকি থাকে। এমনকি এটি ক্যানসারের মতো মরণব্যাধির কারণও হতে পারে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নরসিংদীতে কিশোর হত্যা মামলার রহস্য উন্মোচন: প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

তারাগঞ্জে অস্বাস্থ্যকর লাচ্ছা সেমাইয়ের সয়লাব: চরম স্বাস্থ্যঝুঁকিতে সাধারণ মানুষ

আপডেট সময় : ১০:১৩:১৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

আসন্ন ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার বাজারগুলোতে নিম্নমানের ও অস্বাস্থ্যকর লাচ্ছা সেমাইয়ের রমরমা ব্যবসা চলছে। আকর্ষণীয় প্যাকেটে মোড়ানো এসব সেমাইয়ের মান ও উৎপাদন প্রক্রিয়া নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে তীব্র ক্ষোভ ও সন্দেহ দেখা দিয়েছে। অনুসন্ধানে জানা গেছে, নীলফামারীর সৈয়দপুর ও কিশোরগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে অত্যন্ত নোংরা পরিবেশে এসব সেমাই তৈরি করে বাজারে সরবরাহ করা হচ্ছে।

প্যাকেটের গায়ে ‘ঘি ও ডালডায় ভাজা’ বলে দাবি করা হলেও প্রকৃতপক্ষে এসব সেমাই ভাজা হচ্ছে সস্তা পাম অয়েলে। অনেক ক্ষেত্রে প্যাকেটে বিএসটিআই-এর লোগো ব্যবহার করা হলেও সেগুলোর কোনো বৈধতা নেই। এমনকি অধিকাংশ প্যাকেটে উৎপাদন বা মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখও উল্লেখ করা হয়নি। স্থানীয়দের অভিযোগ, মুনাফালোভী ব্যবসায়ীরা স্বাস্থ্যবিধি তোয়াক্কা না করেই এসব ক্ষতিকর খাদ্যপণ্য বাজারজাত করছে।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতে, এসব নিম্নমানের সেমাইয়ে অনেক সময় টেক্সটাইল ডাই বা কাপড়ের রঙ ব্যবহার করা হয়, যা মানবদেহের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। তারাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. হামদুল্লাহ জানান, এ ধরনের ভেজাল খাবার খেলে ডায়রিয়া, আমাশয় ও ফুড পয়জনিং থেকে শুরু করে দীর্ঘমেয়াদে লিভার ও কিডনি বিকল হওয়ার ঝুঁকি থাকে। এমনকি এটি ক্যানসারের মতো মরণব্যাধির কারণও হতে পারে।