ঢাকা ১১:৫৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা: কার লক্ষ্য কী এবং কোন পথে যাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্য?

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:০৭:৪৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান সংঘাত বিশ্বজুড়ে চরম উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। অধিকাংশ দেশই এই যুদ্ধাবস্থার দ্রুত অবসান চাইলেও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বিপরীতমুখী অবস্থানের কারণে সমাধানের পথ এখনো অস্পষ্ট। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতিতে এক ধরনের অনিশ্চয়তা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তিনি কখনো ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণ, আবার কখনো দেশটির শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন বা কঠোর শর্তারোপের মাধ্যমে তেহরানকে চাপে রাখতে চাইছেন।

দীর্ঘদিন ধরে চলা সামরিক অভিযানের ফলে ইরানের সামরিক শক্তি কিছুটা হ্রাস পেলেও দেশটি এখনো নতি স্বীকার করেনি। ওমানের মধ্যস্থতায় জেনেভায় এক সময় আলোচনার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল, যেখানে তেহরান পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে কিছু ছাড় দিতে রাজি ছিল। তবে নিজেদের ব্যালিস্টিক মিসাইল কর্মসূচি এবং আঞ্চলিক মিত্রদের সহায়তা বন্ধের বিষয়ে তারা কোনো আপস করতে নারাজ। ওয়াশিংটনের প্রত্যাশা ছিল একটি গণতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থা, যা মধ্যপ্রাচ্যের জন্য হুমকি হবে না। কিন্তু মোজতবা খামেনির নেতৃত্বে নতুন কট্টরপন্থী ধারার উত্থান সেই সম্ভাবনাকে আরও জটিল করে তুলেছে। বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি এবং যুদ্ধের ক্রমবর্ধমান ব্যয় নিয়ে খোদ যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরেও এখন অসন্তোষ দানা বাঁধছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নরসিংদীতে কিশোর হত্যা মামলার রহস্য উন্মোচন: প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনা: কার লক্ষ্য কী এবং কোন পথে যাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্য?

আপডেট সময় : ১০:০৭:৪৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান সংঘাত বিশ্বজুড়ে চরম উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। অধিকাংশ দেশই এই যুদ্ধাবস্থার দ্রুত অবসান চাইলেও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বিপরীতমুখী অবস্থানের কারণে সমাধানের পথ এখনো অস্পষ্ট। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতিতে এক ধরনের অনিশ্চয়তা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তিনি কখনো ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণ, আবার কখনো দেশটির শাসনব্যবস্থার পরিবর্তন বা কঠোর শর্তারোপের মাধ্যমে তেহরানকে চাপে রাখতে চাইছেন।

দীর্ঘদিন ধরে চলা সামরিক অভিযানের ফলে ইরানের সামরিক শক্তি কিছুটা হ্রাস পেলেও দেশটি এখনো নতি স্বীকার করেনি। ওমানের মধ্যস্থতায় জেনেভায় এক সময় আলোচনার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল, যেখানে তেহরান পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে কিছু ছাড় দিতে রাজি ছিল। তবে নিজেদের ব্যালিস্টিক মিসাইল কর্মসূচি এবং আঞ্চলিক মিত্রদের সহায়তা বন্ধের বিষয়ে তারা কোনো আপস করতে নারাজ। ওয়াশিংটনের প্রত্যাশা ছিল একটি গণতান্ত্রিক সরকার ব্যবস্থা, যা মধ্যপ্রাচ্যের জন্য হুমকি হবে না। কিন্তু মোজতবা খামেনির নেতৃত্বে নতুন কট্টরপন্থী ধারার উত্থান সেই সম্ভাবনাকে আরও জটিল করে তুলেছে। বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি এবং যুদ্ধের ক্রমবর্ধমান ব্যয় নিয়ে খোদ যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরেও এখন অসন্তোষ দানা বাঁধছে।