তীব্র অর্থ সংকটের কারণে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বহুল প্রতীক্ষিত নতুন জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে ‘ধীরে চলো’ নীতি গ্রহণ করেছে সরকার। এর ফলে নতুন পে-স্কেল কার্যকর হওয়া নিয়ে এক ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। তবে জাতীয় সংসদের আসন্ন অধিবেশনে পে-স্কেল বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানা গেছে।
অর্থ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে নতুন পে-স্কেলের জন্য সংরক্ষিত ৪০ হাজার কোটি টাকার প্রায় পুরোটাই এরই মধ্যে অন্য খাতে ব্যয় করা হয়েছে। এর একটি বড় অংশ জ্বালানি খাতের ভর্তুকি এবং বিভিন্ন নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যবহার করা হয়েছে। এই অর্থ অন্য খাতে চলে যাওয়ায় চলতি অর্থবছরে নতুন পে-স্কেল কার্যকর হওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও ঘনীভূত হয়েছে।
সংরক্ষিত অর্থের মধ্যে ২৪ হাজার কোটি টাকা জ্বালানি ভর্তুকিতে দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও কৃষকদের ঋণ সহায়তা এবং সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিতে বরাদ্দ করা হয়েছে ১৫ হাজার কোটি টাকা। ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্পের জন্যও আরও ৩৮ কোটি ৭ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। এর ফলস্বরূপ, পে-স্কেলের জন্য নির্ধারিত ৪০ হাজার কোটি টাকার মধ্যে প্রায় ৩৯ হাজার ৩৮ কোটি ৭ লাখ টাকা খরচ হয়ে গেছে এবং বর্তমানে মাত্র ৯৬১ কোটি ৯৩ লাখ টাকা অবশিষ্ট রয়েছে, যা পে-স্কেল বাস্তবায়নের জন্য যথেষ্ট নয়।
রিপোর্টারের নাম 

























