প্রাথমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের ভর্তির জন্য প্রচলিত লটারি পদ্ধতির পরিবর্তন আনার ইঙ্গিত দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলন। জাতীয় সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে আগামী শিক্ষাবর্ষে একটি নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা জানিয়েছেন।
সংসদ সদস্য হাসনাত আব্দুল্লাহ শিক্ষামন্ত্রীর কাছে জানতে চেয়েছিলেন যে, প্রাইমারি স্কুলগুলোর ভর্তি পদ্ধতি পরিবর্তন করা হবে কিনা। তিনি উল্লেখ করেন, আগে মেধার ভিত্তিতে ভর্তি হলেও এখন লটারির কারণে ফিডার ইনস্টিটিউটগুলোতে শিক্ষার মান কমে যাচ্ছে, যা বিশ্ববিদ্যালয়ে মানসম্মত শিক্ষার্থী পাঠাতে বাধা দিচ্ছে।
জবাবে শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলন বলেন, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং এ নিয়ে ব্যাপক আলোচনার প্রয়োজন। তিনি দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় গ্রাম ও শহরের ভিন্ন পদ্ধতির কথা তুলে ধরেন। মন্ত্রী জানান, গ্রামীণ এলাকায় এখনো তেমন প্রতিযোগিতাপূর্ণ পরিবেশ তৈরি না হওয়ায় সমস্যা কম হলেও ঢাকায় এই সমস্যা প্রকট। তিনি বিগত সরকারের চালু করা লটারি পদ্ধতিকে ‘যুক্তিসঙ্গত নয়’ বলেও মন্তব্য করেন।
এর আগে রোববার বেলা ১১টায় জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় দিনের অধিবেশন শুরু হয়। এই অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবসহ প্রশ্নোত্তর পর্ব এবং জরুরি জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণের নোটিশ নিষ্পত্তি করা হয়।
রিপোর্টারের নাম 






















