জাতীয় সংসদ ভবনের সাউন্ড সিস্টেম এবং নতুন হেডফোন নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন জামায়াত ইসলামীর সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী। তিনি বর্তমান হেডফোনগুলোকে ‘বোঝা’ আখ্যা দিয়ে এর ক্রয় প্রক্রিয়ায় ‘লুটপাট’ ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন।
রোববার জাতীয় সংসদে এক অনির্ধারিত আলোচনায় অংশ নিয়ে শাহজাহান চৌধুরী বলেন, বর্তমান হেডফোনগুলো এত বড় ও অস্বস্তিকর যে দীর্ঘক্ষণ মাথায় রেখে বসা কষ্টকর। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, ১৯৯১ ও ২০০১ সালের সংসদে এমন ভারী হেডফোন ছাড়াই সাউন্ড সিস্টেম সুন্দরভাবে পরিচালিত হয়েছে। বর্তমান ব্যবস্থার পেছনে ‘বাজেট করে লুটপাট বাহিনী বিল করে খাওয়ার’ উদ্দেশ্য রয়েছে বলে তিনি ইঙ্গিত দেন।
সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে তিনি আরও বলেন, একটি সাধারণ হেডফোন অথবা হেডফোন ছাড়াই সংসদ কক্ষের সাউন্ড সিস্টেম আধুনিকায়ন করা হলে সংসদ সদস্যরা স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করবেন।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনেও সাউন্ড সিস্টেমে বিভ্রাট দেখা গিয়েছিল। সেদিন নবনির্বাচিত স্পিকারকে হ্যান্ডমাইকে সভা পরিচালনা করতে হয়েছিল এবং পরে ২০ মিনিটের জন্য অধিবেশন স্থগিত করা হয়। বিরতির পরও সব মাইক সচল না হওয়ায় একাধিক সংসদ সদস্য দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন। এর আগে জামায়াতের আরেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মীর আহমাদ বিন কাসেম (আরমান) তার ফেসবুক পাতায় এই হেডফোনের মান নিয়ে অভিযোগ করে এটিকে ‘ভয়াবহ’ ও ‘নিম্নমানের’ বলে মন্তব্য করেছিলেন।
রিপোর্টারের নাম 
























