ঢাকা ০৮:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

ঢাবিতে মঞ্চস্থ হলো ইবসেনের তিন নাটকের সমন্বিত প্রযোজনা ‘তাবুলা রাসা’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের আয়োজনে মঞ্চস্থ হয়েছে নিরীক্ষাধর্মী নাটক ‘তাবুলা রাসা’। বিশ্বখ্যাত নাট্যকার হেনরিক ইবসেনের তিনটি জনপ্রিয় নাটক ‘আ ডল’স হাউস’, ‘পিয়ার গিন্ট’ এবং ‘দ্য ওয়াইল্ড ডাক’-এর নির্বাচিত অংশ নিয়ে এই বিশেষ চিত্রনাট্যটি সাজানো হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটমণ্ডল মিলনায়তনে তিন দিনব্যাপী এই প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়।

নাটকটির নির্দেশনা দিয়েছেন অধ্যাপক আহমেদুল কবির। তিনি জানান, লাতিন শব্দ ‘তাবুলা রাসা’র অর্থ হলো ‘পরিষ্কার স্লেট’। এই প্রযোজনার মাধ্যমে মূলত সংলাপের পাশাপাশি শরীরের ভাষা এবং শারীরিক অভিব্যক্তির মাধ্যমে কীভাবে ভাব প্রকাশ করা যায়, সেই নিরীক্ষাটিই চালানো হয়েছে। শিক্ষার্থীদের বিশ্ব নাট্যসাহিত্যের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া এবং তাদের সৃজনশীলতা বিকাশের অংশ হিসেবেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিভাগের স্নাতকোত্তর প্রথম সেমিস্টারের শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এই নাটকটি মঞ্চে আনা হয়। নাট্যকারের মূল থিম অক্ষুণ্ণ রেখে সমসাময়িক জীবনবোধ, মানবিক সম্পর্ক এবং সামাজিক বাস্তবতাকে এই পরিবেশনায় তুলে ধরা হয়েছে। অভিনয় ও কারিগরি কুশলতায় বিভাগের শিক্ষার্থীরা তাদের মেধার স্বাক্ষর রেখেছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হাদি হত্যার আসামীদের পালাতে সহায়তাকারী ফিলিপ সাংমা ভারতের নদীয়ায় গ্রেফতার

ঢাবিতে মঞ্চস্থ হলো ইবসেনের তিন নাটকের সমন্বিত প্রযোজনা ‘তাবুলা রাসা’

আপডেট সময় : ০৬:০৬:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের আয়োজনে মঞ্চস্থ হয়েছে নিরীক্ষাধর্মী নাটক ‘তাবুলা রাসা’। বিশ্বখ্যাত নাট্যকার হেনরিক ইবসেনের তিনটি জনপ্রিয় নাটক ‘আ ডল’স হাউস’, ‘পিয়ার গিন্ট’ এবং ‘দ্য ওয়াইল্ড ডাক’-এর নির্বাচিত অংশ নিয়ে এই বিশেষ চিত্রনাট্যটি সাজানো হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নাটমণ্ডল মিলনায়তনে তিন দিনব্যাপী এই প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়।

নাটকটির নির্দেশনা দিয়েছেন অধ্যাপক আহমেদুল কবির। তিনি জানান, লাতিন শব্দ ‘তাবুলা রাসা’র অর্থ হলো ‘পরিষ্কার স্লেট’। এই প্রযোজনার মাধ্যমে মূলত সংলাপের পাশাপাশি শরীরের ভাষা এবং শারীরিক অভিব্যক্তির মাধ্যমে কীভাবে ভাব প্রকাশ করা যায়, সেই নিরীক্ষাটিই চালানো হয়েছে। শিক্ষার্থীদের বিশ্ব নাট্যসাহিত্যের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া এবং তাদের সৃজনশীলতা বিকাশের অংশ হিসেবেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিভাগের স্নাতকোত্তর প্রথম সেমিস্টারের শিক্ষার্থীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এই নাটকটি মঞ্চে আনা হয়। নাট্যকারের মূল থিম অক্ষুণ্ণ রেখে সমসাময়িক জীবনবোধ, মানবিক সম্পর্ক এবং সামাজিক বাস্তবতাকে এই পরিবেশনায় তুলে ধরা হয়েছে। অভিনয় ও কারিগরি কুশলতায় বিভাগের শিক্ষার্থীরা তাদের মেধার স্বাক্ষর রেখেছেন।