আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঘরমুখো যাত্রীদের নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক ঈদযাত্রা নিশ্চিত করতে সরকার সর্বোচ্চ সক্ষমতা নিয়ে কাজ করছে বলে জানিয়েছেন সড়ক ও সেতু, রেল এবং নৌ পরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। শুক্রবার (১৩ মার্চ) ঈদযাত্রা উপলক্ষে ঢাকা রেলওয়ে স্টেশন (কমলাপুর) পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী জানান, ঈদযাত্রাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ রেলওয়ে বিভিন্ন আন্তঃনগর সার্ভিসে ১২৪টি মিটারগেজ ও ১৪টি ব্রডগেজ কোচ অতিরিক্ত সংযোজন করেছে। এছাড়াও, নিয়মিত সার্ভিসের অতিরিক্ত পাঁচজোড়া বিশেষ ট্রেন পরিচালনা করা হচ্ছে। সড়ক ও নৌপথেও সর্বোচ্চ সংখ্যক যাত্রী পরিবহনের সুশৃঙ্খল ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেন যে, ঈদযাত্রার প্রথম দিনে ২১টি ট্রেন নির্ধারিত গন্তব্যে ছেড়ে গেছে এবং অধিকাংশই সময়মতো চলেছে। দুটি ট্রেন প্রায় ৪০ মিনিট দেরিতে ছেড়েছে, যার কারণ হিসেবে একটি দুর্ঘটনার কথা উল্লেখ করেন তিনি। তবে, আগামী দুই দিনের মধ্যে এই ট্রেনগুলোও নির্ধারিত সময়ে ছাড়তে পারবে বলে আশা প্রকাশ করেন মন্ত্রী।
অনলাইনে টিকিট বিক্রির ক্ষেত্রে যাত্রীদের ব্যাপক চাপ থাকা সত্ত্বেও সবাই ন্যায্যভাবে টিকিট পেয়েছেন বলে তিনি জানান। প্রায় ৩৭ লাখ মানুষ টিকিট কেনার চেষ্টা করলেও, রেলের সক্ষমতা অনুযায়ী প্রায় ৩৬ হাজার টিকিট বিক্রি করা সম্ভব হয়েছে। টিকিট বুকিংয়ের পর পেমেন্টের জন্য নির্দিষ্ট সময় দেওয়ায় কিছু যাত্রী অপেক্ষায় থাকলেও, শেষ পর্যন্ত যারা টিকিট কিনতে চেয়েছেন, তারা সবাই তা পেয়েছেন বলে তিনি নিশ্চিত করেন।
স্টেশনে যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে তিনি সন্তুষ্টির কথা শুনেছেন। তবে, যাত্রীরা এই সেবার ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে কিনা তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বলেও মন্ত্রী উল্লেখ করেন।
রিপোর্টারের নাম 
























