ঢাকা ০৬:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬

সাড়ে ৪ কোটি টাকা আত্মসাৎ: ‘সূর্যের হাসি নেটওয়ার্কের’ ৫ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা

সাড়ে ৪ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ‘সূর্যের হাসি নেটওয়ার্কের’ পাঁচজন শীর্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যশোরে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার পরিবার কল্যাণ সমিতি (পিকেএস) নামে একটি বেসরকারি সংস্থার পক্ষে যশোরের আদালতে এই মামলাটি করা হয়। আদালতের বিচারক অভিযোগটি আমলে নিয়ে পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলার আসামিদের মধ্যে রয়েছেন নেটওয়ার্কটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও শায়লা পারভীনসহ মানবসম্পদ ও অর্থ বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তারা। এজাহার সূত্রে জানা গেছে, খুলনা বিভাগের ২৬টি ক্লিনিকের কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্ব থাকাকালীন আসামিরা অ্যাম্বুলেন্সসহ বিপুল পরিমাণ চিকিৎসাসামগ্রী ও অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। যার বাজারমূল্য প্রায় ৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকা বলে দাবি করেছে বাদীপক্ষ।

উল্লেখ্য, দীর্ঘ সময় ধরে হতদরিদ্র মা ও শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করে আসা এসব ক্লিনিকের সরঞ্জাম হস্তান্তরের শর্ত থাকলেও আসামিরা তা লঙ্ঘন করেছেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। চলতি বছরের শুরুতে এসব মালামাল ও অর্থ ফেরত চাওয়া হলেও কোনো সদুত্তর না মেলায় শেষ পর্যন্ত আইনের আশ্রয় নিয়েছে সংস্থাটি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সাড়ে ৪ কোটি টাকা আত্মসাৎ: ‘সূর্যের হাসি নেটওয়ার্কের’ ৫ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা

সাড়ে ৪ কোটি টাকা আত্মসাৎ: ‘সূর্যের হাসি নেটওয়ার্কের’ ৫ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা

আপডেট সময় : ০৫:০৯:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬

সাড়ে ৪ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ‘সূর্যের হাসি নেটওয়ার্কের’ পাঁচজন শীর্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যশোরে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার পরিবার কল্যাণ সমিতি (পিকেএস) নামে একটি বেসরকারি সংস্থার পক্ষে যশোরের আদালতে এই মামলাটি করা হয়। আদালতের বিচারক অভিযোগটি আমলে নিয়ে পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলার আসামিদের মধ্যে রয়েছেন নেটওয়ার্কটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও শায়লা পারভীনসহ মানবসম্পদ ও অর্থ বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তারা। এজাহার সূত্রে জানা গেছে, খুলনা বিভাগের ২৬টি ক্লিনিকের কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্ব থাকাকালীন আসামিরা অ্যাম্বুলেন্সসহ বিপুল পরিমাণ চিকিৎসাসামগ্রী ও অর্থ আত্মসাৎ করেছেন। যার বাজারমূল্য প্রায় ৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকা বলে দাবি করেছে বাদীপক্ষ।

উল্লেখ্য, দীর্ঘ সময় ধরে হতদরিদ্র মা ও শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করে আসা এসব ক্লিনিকের সরঞ্জাম হস্তান্তরের শর্ত থাকলেও আসামিরা তা লঙ্ঘন করেছেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। চলতি বছরের শুরুতে এসব মালামাল ও অর্থ ফেরত চাওয়া হলেও কোনো সদুত্তর না মেলায় শেষ পর্যন্ত আইনের আশ্রয় নিয়েছে সংস্থাটি।