বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখপত্র হিসেবে প্রকাশিত ম্যাগাজিন ‘গণগ্রাফিতি’র মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে। সংগঠনটির দপ্তর সম্পাদক শাহাদাত হোসেনের সম্পাদনায় এই ম্যাগাজিনটি প্রকাশিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অমর একুশে বইমেলার মোড়ক উন্মোচন মঞ্চে এর আনুষ্ঠানিক উন্মোচন হয়।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি রিফাত রশিদের সভাপতিত্বে এবং মুখ্য সমন্বয়ক হাসিব আল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট কবি ও চিন্তক ফরহাদ মজহার, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক মোহাম্মদ আজম, লেখক ও অ্যাকটিভিস্ট মোহাম্মদ সজল, এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব সালেহ উদ্দিন সিফাত এবং কবি ও গবেষক ইমরান মাহফুজ।
অনুষ্ঠানে কবি ও চিন্তক ফরহাদ মজহার বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তরুণদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তাদের ৫ আগস্টের কার্যক্রম প্রশংসার দাবিদার হলেও, তিনি আরও পড়াশোনা ও জ্ঞানচর্চার উপর জোর দেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি রিফাত রশিদ জানান, দেশব্যাপী আন্দোলনের সময় দেয়ালে আঁকা ও লেখা বিভিন্ন গ্রাফিতি সংগ্রহ করা হচ্ছে এবং এসব নিয়ে একটি বিশেষ সংস্করণ শীঘ্রই প্রকাশিত হবে।
লেখক ও অ্যাকটিভিস্ট মোহাম্মদ সজল মন্তব্য করেন যে, রাষ্ট্রকে কোনো ব্যক্তি বা পরিবারের ব্যক্তিগত সম্পত্তিতে পরিণত করার যে প্রবণতা উপমহাদেশে বিদ্যমান, তার বিরুদ্ধে জুলাইয়ের অভ্যুত্থান ছিল একটি বড় আঘাত। এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব সালেহ উদ্দিন সিফাত বলেন, ‘গণগ্রাফিতি’ নামটি জনগণের কণ্ঠস্বরকে লিপিবদ্ধ করার বিশেষ তাৎপর্য বহন করে, যা অভ্যুত্থানকালে বিভিন্ন দেয়ালে লেখা স্লোগানগুলোর মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছিল।
প্রকাশিত ম্যাগাজিনটির প্রথম সংখ্যায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান, সংস্কার ও নির্বাচন নিয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনসহ দেশের প্রধান তিনটি রাজনৈতিক দল বিএনপি, জামায়াতে ইসলাম ও এনসিপির ভাবনা স্থান পেয়েছে। এছাড়াও এতে বুদ্ধিজীবী, শিক্ষক, সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীদের দৃষ্টিভঙ্গি, বিশেষ সাক্ষাৎকার, প্রবন্ধ এবং অভ্যুত্থান সম্পর্কিত গল্প যুক্ত করা হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 























