ঢাকা ০৩:৫৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬

ইসরায়েলের হামলায় নিহত বাংলাদেশি দিপালীর মরদেহ ঢাকায় পৌঁছেছে

লেবাননে ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত বাংলাদেশি নাগরিক দিপালী আক্তারের মরদেহ দেশে পৌঁছেছে। বৃহস্পতিবার (৭ মে) দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তার মরদেহ এসে পৌঁছায়।

বিমানবন্দরে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ নিহত দিপালীর মরদেহ গ্রহণ করেন এবং তা পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেন। এসময় প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘জীবিত অবস্থায় দিপালীকে আর ফেরত আনা সম্ভব নয়, কিন্তু আমরা সরকারের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক চেষ্টা করছি। প্রধানমন্ত্রী সবসময়ই বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে থাকা আমাদের বাংলাদেশি ভাইবোনদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।’

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী দিপালী আক্তারের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে তার পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন এবং তাদের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে আরও কিছু করার থাকলে তা করতে সচেষ্ট থাকবে বলে জানান।

তিনি জানান, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ শুরুর পর এ পর্যন্ত মোট আটজন বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ছয়জনের মরদেহ দেশে আনা সম্ভব হয়েছে। সৌদি আরবে একজনকে দাফন করতে হয়েছে কারণ তার মরদেহ দেশে আনার মতো অবস্থায় ছিল না। এছাড়া ইরাকে নিহত আরেক বাংলাদেশির মরদেহও যুদ্ধের কারণে এবং ফ্লাইট না থাকায় দেশে আনা যায়নি।

মরদেহ দেশে আনতে বিলম্ব হওয়ার কারণ হিসেবে প্রতিমন্ত্রী যুদ্ধ পরিস্থিতি, বিভিন্ন দেশের সরকারের সাথে সমন্বয় এবং প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা পূরণের বিষয়টি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘যুদ্ধাবস্থা চলার কারণে বিভিন্ন দেশের নিয়মকানুন মেনেই আমাদের মরদেহ ফেরত আনতে হচ্ছে। এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে কিছুটা সময় লাগছে, তবে আমরা যত দ্রুত সম্ভব মরদেহগুলো আনার চেষ্টা করছি।’

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বোনের বাড়িতে বেড়াতে এসে যুবক খুন, শিশু গুলিবিদ্ধ

ইসরায়েলের হামলায় নিহত বাংলাদেশি দিপালীর মরদেহ ঢাকায় পৌঁছেছে

আপডেট সময় : ০২:০৬:৪৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৮ মে ২০২৬

লেবাননে ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত বাংলাদেশি নাগরিক দিপালী আক্তারের মরদেহ দেশে পৌঁছেছে। বৃহস্পতিবার (৭ মে) দিবাগত রাত সাড়ে ১১টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তার মরদেহ এসে পৌঁছায়।

বিমানবন্দরে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ নিহত দিপালীর মরদেহ গ্রহণ করেন এবং তা পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেন। এসময় প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘জীবিত অবস্থায় দিপালীকে আর ফেরত আনা সম্ভব নয়, কিন্তু আমরা সরকারের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক চেষ্টা করছি। প্রধানমন্ত্রী সবসময়ই বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে থাকা আমাদের বাংলাদেশি ভাইবোনদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।’

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী দিপালী আক্তারের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে তার পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন এবং তাদের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে আরও কিছু করার থাকলে তা করতে সচেষ্ট থাকবে বলে জানান।

তিনি জানান, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ শুরুর পর এ পর্যন্ত মোট আটজন বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ছয়জনের মরদেহ দেশে আনা সম্ভব হয়েছে। সৌদি আরবে একজনকে দাফন করতে হয়েছে কারণ তার মরদেহ দেশে আনার মতো অবস্থায় ছিল না। এছাড়া ইরাকে নিহত আরেক বাংলাদেশির মরদেহও যুদ্ধের কারণে এবং ফ্লাইট না থাকায় দেশে আনা যায়নি।

মরদেহ দেশে আনতে বিলম্ব হওয়ার কারণ হিসেবে প্রতিমন্ত্রী যুদ্ধ পরিস্থিতি, বিভিন্ন দেশের সরকারের সাথে সমন্বয় এবং প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা পূরণের বিষয়টি উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘যুদ্ধাবস্থা চলার কারণে বিভিন্ন দেশের নিয়মকানুন মেনেই আমাদের মরদেহ ফেরত আনতে হচ্ছে। এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে কিছুটা সময় লাগছে, তবে আমরা যত দ্রুত সম্ভব মরদেহগুলো আনার চেষ্টা করছি।’