ঢাকা ১০:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

গৃহকর বিরোধ: চসিক ও বন্দর কর্তৃপক্ষের পাঁচ দফা বৈঠকেও মেলেনি সমাধান

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:২৫:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) এবং চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের মধ্যে গৃহকর সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের বিরোধ নিরসনে পাঁচ দফা বৈঠকের পরও কোনো সুরাহা হয়নি। দফায় দফায় যৌথ জরিপ কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও সংস্থা দুটি কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়েছে। সর্বশেষ গৃহকরের রেজুলেশন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা মন্ত্রণালয়ের ওপর নির্ভর করছে বন্দর কর্তৃপক্ষকে কত টাকা গৃহকর পরিশোধ করতে হবে।

চসিকের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা এসএম সরোয়ার কামাল জানিয়েছেন, গৃহকরের রেজুলেশন তৈরি করে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে এবং চলতি সপ্তাহেই বন্দর কর্তৃপক্ষ এটি পেশ করবে। গত বছর আগস্টে বন্দর-চসিকের কর বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য পাঁচ সদস্যের একটি যৌথ জরিপ কমিটি গঠন করা হয়েছিল। জরিপের পর কমিটি বন্দরের প্রায় এক কোটি ৭৩ লাখ বর্গফুট এলাকাকে গৃহকর আদায়ের আওতাভুক্ত করেছে। এই চিহ্নিত এলাকার জন্য সিটি করপোরেশন ২৬৪ কোটি ৩৫ লাখ ৯২ হাজার টাকা বার্ষিক গৃহকর নির্ধারণ করেছে, যা চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ মেনে নেয়নি।

যৌথ কমিটির আহ্বায়ক বন্দর পরিচালনা পর্ষদের সদস্য (অর্থ) মাহবুবুল আলম তালুকদারসহ উভয় পক্ষের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত পঞ্চম বৈঠকে কোনো পক্ষই তাদের অবস্থান থেকে সরেনি। অতীতেও দুই সংস্থার মধ্যে পরিশোধের অঙ্ক নিয়ে দরকষাকষি হয়েছে। চসিকের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা জানান, আয়তন নিয়ে উভয় পক্ষ একমত হলেও বন্দরের সক্ষমতা, কন্টেইনার হ্যান্ডলিং, পোর্ট ডিউটি, বার্থিং-আনবার্থিং, পাইলোটেজ, টাগবোট ও লেট ফিসহ বিভিন্ন আয় ও বন্দর কর্তৃপক্ষের দাবিকৃত অর্থের অঙ্ক নিয়ে মতপার্থক্য রয়ে গেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মধ্যপ্রাচ্যে অস্ত্র চালানে যুক্তরাষ্ট্রের অনুরোধ তাইওয়ানের কাছে নেই

গৃহকর বিরোধ: চসিক ও বন্দর কর্তৃপক্ষের পাঁচ দফা বৈঠকেও মেলেনি সমাধান

আপডেট সময় : ০৯:২৫:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) এবং চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের মধ্যে গৃহকর সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের বিরোধ নিরসনে পাঁচ দফা বৈঠকের পরও কোনো সুরাহা হয়নি। দফায় দফায় যৌথ জরিপ কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও সংস্থা দুটি কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়েছে। সর্বশেষ গৃহকরের রেজুলেশন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা মন্ত্রণালয়ের ওপর নির্ভর করছে বন্দর কর্তৃপক্ষকে কত টাকা গৃহকর পরিশোধ করতে হবে।

চসিকের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা এসএম সরোয়ার কামাল জানিয়েছেন, গৃহকরের রেজুলেশন তৈরি করে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে এবং চলতি সপ্তাহেই বন্দর কর্তৃপক্ষ এটি পেশ করবে। গত বছর আগস্টে বন্দর-চসিকের কর বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য পাঁচ সদস্যের একটি যৌথ জরিপ কমিটি গঠন করা হয়েছিল। জরিপের পর কমিটি বন্দরের প্রায় এক কোটি ৭৩ লাখ বর্গফুট এলাকাকে গৃহকর আদায়ের আওতাভুক্ত করেছে। এই চিহ্নিত এলাকার জন্য সিটি করপোরেশন ২৬৪ কোটি ৩৫ লাখ ৯২ হাজার টাকা বার্ষিক গৃহকর নির্ধারণ করেছে, যা চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ মেনে নেয়নি।

যৌথ কমিটির আহ্বায়ক বন্দর পরিচালনা পর্ষদের সদস্য (অর্থ) মাহবুবুল আলম তালুকদারসহ উভয় পক্ষের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত পঞ্চম বৈঠকে কোনো পক্ষই তাদের অবস্থান থেকে সরেনি। অতীতেও দুই সংস্থার মধ্যে পরিশোধের অঙ্ক নিয়ে দরকষাকষি হয়েছে। চসিকের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা জানান, আয়তন নিয়ে উভয় পক্ষ একমত হলেও বন্দরের সক্ষমতা, কন্টেইনার হ্যান্ডলিং, পোর্ট ডিউটি, বার্থিং-আনবার্থিং, পাইলোটেজ, টাগবোট ও লেট ফিসহ বিভিন্ন আয় ও বন্দর কর্তৃপক্ষের দাবিকৃত অর্থের অঙ্ক নিয়ে মতপার্থক্য রয়ে গেছে।