কর্মচারীদের উপর হামলা ও ছুরিকাঘাতের প্রতিবাদ এবং পাঁচ দফা দাবিতে সিলেটের সিএনজি রিফুয়েলিং ও পেট্রোল পাম্প ব্যবসায়ীরা ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন। এই ধর্মঘটের ফলে সিলেট বিভাগের সকল পেট্রোল পাম্পে জ্বালানি বিক্রি বন্ধ রাখা হয়েছে। সোমবার দিবাগত রাত ১২টা থেকে শুরু হওয়া এই ধর্মঘট মঙ্গলবার বেলা দুইটা পর্যন্ত চলবে, যা মোট ১৪ ঘণ্টার ধর্মঘট।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার্স, ডিস্ট্রিবিউটরস, এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন সিলেট বিভাগীয় শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ব্যারিস্টার রিয়াসাদ আজিম হক আদনান ও সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন আহমদ এক বিবৃতিতে এই কর্মসূচির ঘোষণা দেন। তারা জানান, সম্প্রতি সিলেট নগরের চৌকিদিখি এলাকার একটি পাম্পসহ একাধিক পেট্রোল পাম্পে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে। জ্বালানি না পেয়ে পাম্পগুলোতে হামলা, ভাঙচুর এবং কর্মচারীদের ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটেছে।
ব্যবসায়ীরা আরও অভিযোগ করেন যে, তারা ডিপো থেকে চাহিদামাফিক জ্বালানি সরবরাহ পাচ্ছেন না, যার ফলে গ্রাহকদের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে, তারা সোমবার রাত থেকে সিলেটের সকল পেট্রোল পাম্প বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেন। তাদের পাঁচ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে পেট্রোল পাম্প হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং ডিপো থেকে আগের মতো জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা।
উল্লেখ্য, গত সোমবার ইফতারের আগে নগরের চৌকিদেখী এলাকার মেসার্স উত্তরা পেট্রোলিয়ামে সিরিয়াল ভেঙে জ্বালানি নেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক গ্রাহক এক কর্মচারীকে ছুরিকাঘাত করেন। আহত কর্মচারী মিঠু গোয়ালাকে ওসমানী মেডিকেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ বিষয়ে সিলেট এয়ারপোর্ট থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সৌমেন মৈত্র জানিয়েছেন, অভিযুক্তকে চিহ্নিত করা হয়েছে এবং তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
রিপোর্টারের নাম 
























