ঢাকা ০৬:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

জ্বালানি তেলের সরবরাহ নিশ্চিতে ‘মনিটরিং ও কন্ট্রোল সেল’ গঠন করল বিপিসি

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:২৮:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
  • ২৭ বার পড়া হয়েছে

সারাদেশে জ্বালানি তেলের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে এবং এ সংক্রান্ত যেকোনো অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)। প্রতিষ্ঠানটি কেন্দ্রীয় ও আঞ্চলিক পর্যায়ে ‘মনিটরিং ও কন্ট্রোল সেল’ গঠন করেছে। সোমবার (৯ মার্চ) বিপিসি সচিব শাহিনা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ, বিপিসি এবং সংশ্লিষ্ট তেল বিপণন কোম্পানিগুলোর সমন্বয়ে এই সেলগুলো কাজ করবে। চট্টগ্রামের প্রধান কার্যালয়ে কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল সেল ছাড়াও ঢাকা, বগুড়া, খুলনা, সিলেট ও বরিশালে আঞ্চলিক কন্ট্রোল সেল স্থাপন করা হয়েছে। এই সেলগুলোর মূল কাজ হবে প্রতিদিনের পেট্রোলিয়াম পণ্যের মজুত (শোর ট্যাংক ও ফ্লোটিং), সরবরাহ (ডিসপ্যাচ) এবং বিক্রয় পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা। বিশেষ করে বর্তমান কৃষি সেচ মৌসুমে ডিজেলের চাহিদা ও খুচরা মূল্য সংক্রান্ত তথ্য তারা নিয়মিত কেন্দ্রীয় সেলে পাঠাবে।

বিপিসি জানিয়েছে, আঞ্চলিক কন্ট্রোল সেলগুলো থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে একটি সমন্বিত মজুত প্রতিবেদন তৈরি করা হবে। এই প্রতিবেদন নিয়মিতভাবে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এবং সংস্থাগুলোর কাছে পাঠানো হবে। এর ফলে সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে জ্বালানির প্রকৃত চিত্র পর্যবেক্ষণ করা সহজ হবে।

এছাড়া সেচ মৌসুমে ডিলার ও এজেন্টদের অনুকূলে ডিপো থেকে কী পরিমাণ জ্বালানি তেল সরবরাহ ও বিক্রি করা হচ্ছে, সেই তথ্য নিয়মিতভাবে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) ই-মেইল বা ফ্যাক্সের মাধ্যমে অবহিত করা হবে। এতে করে স্থানীয় পর্যায়ে তেলের কৃত্রিম সংকট তৈরি বা মজুতদারি রোধ করা সম্ভব হবে বলে আশা করছে কর্তৃপক্ষ।

বিপিসির এই বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, জ্বালানি তেলের বিতরণ, মজুত, পাচার কিংবা ভেজাল সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য বা অভিযোগ সাধারণ মানুষ বা সংশ্লিষ্টরা তাৎক্ষণিকভাবে এই কন্ট্রোল সেলগুলোতে জানাতে পারবেন। প্রাপ্ত অভিযোগ বা তথ্যের সত্যতা যাচাই করে দ্রুত প্রয়োজনীয় আইনি বা প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। মূলত জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং অসাধু চক্রের কারসাজি বন্ধ করতেই এই সমন্বিত নজরদারি ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

Mahbub

জনপ্রিয় সংবাদ

ত্রাণ বিতরণে অনিয়ম সহ্য করা হবে না: হুঁশিয়ারি ত্রাণমন্ত্রীর

জ্বালানি তেলের সরবরাহ নিশ্চিতে ‘মনিটরিং ও কন্ট্রোল সেল’ গঠন করল বিপিসি

আপডেট সময় : ০৯:২৮:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

সারাদেশে জ্বালানি তেলের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে এবং এ সংক্রান্ত যেকোনো অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)। প্রতিষ্ঠানটি কেন্দ্রীয় ও আঞ্চলিক পর্যায়ে ‘মনিটরিং ও কন্ট্রোল সেল’ গঠন করেছে। সোমবার (৯ মার্চ) বিপিসি সচিব শাহিনা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ, বিপিসি এবং সংশ্লিষ্ট তেল বিপণন কোম্পানিগুলোর সমন্বয়ে এই সেলগুলো কাজ করবে। চট্টগ্রামের প্রধান কার্যালয়ে কেন্দ্রীয় কন্ট্রোল সেল ছাড়াও ঢাকা, বগুড়া, খুলনা, সিলেট ও বরিশালে আঞ্চলিক কন্ট্রোল সেল স্থাপন করা হয়েছে। এই সেলগুলোর মূল কাজ হবে প্রতিদিনের পেট্রোলিয়াম পণ্যের মজুত (শোর ট্যাংক ও ফ্লোটিং), সরবরাহ (ডিসপ্যাচ) এবং বিক্রয় পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা। বিশেষ করে বর্তমান কৃষি সেচ মৌসুমে ডিজেলের চাহিদা ও খুচরা মূল্য সংক্রান্ত তথ্য তারা নিয়মিত কেন্দ্রীয় সেলে পাঠাবে।

বিপিসি জানিয়েছে, আঞ্চলিক কন্ট্রোল সেলগুলো থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে একটি সমন্বিত মজুত প্রতিবেদন তৈরি করা হবে। এই প্রতিবেদন নিয়মিতভাবে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এবং সংস্থাগুলোর কাছে পাঠানো হবে। এর ফলে সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে জ্বালানির প্রকৃত চিত্র পর্যবেক্ষণ করা সহজ হবে।

এছাড়া সেচ মৌসুমে ডিলার ও এজেন্টদের অনুকূলে ডিপো থেকে কী পরিমাণ জ্বালানি তেল সরবরাহ ও বিক্রি করা হচ্ছে, সেই তথ্য নিয়মিতভাবে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) ই-মেইল বা ফ্যাক্সের মাধ্যমে অবহিত করা হবে। এতে করে স্থানীয় পর্যায়ে তেলের কৃত্রিম সংকট তৈরি বা মজুতদারি রোধ করা সম্ভব হবে বলে আশা করছে কর্তৃপক্ষ।

বিপিসির এই বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, জ্বালানি তেলের বিতরণ, মজুত, পাচার কিংবা ভেজাল সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য বা অভিযোগ সাধারণ মানুষ বা সংশ্লিষ্টরা তাৎক্ষণিকভাবে এই কন্ট্রোল সেলগুলোতে জানাতে পারবেন। প্রাপ্ত অভিযোগ বা তথ্যের সত্যতা যাচাই করে দ্রুত প্রয়োজনীয় আইনি বা প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। মূলত জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং অসাধু চক্রের কারসাজি বন্ধ করতেই এই সমন্বিত নজরদারি ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।