রাজনৈতিক অঙ্গনের অন্যতম পরিচিত মুখ ও সংসদ সদস্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে সাধারণত সিনেমার মহরত অনুষ্ঠানে দেখা যায় না। তবে এবার ব্যতিক্রম ঘটলো। গত রবিবার, বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভে ‘মায়ের ডাক’ শিরোনামের একটি সিনেমার মহরত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তিনি, যা ছিল এক আবেগঘন পরিবেশের জন্মদাতা। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় কর্তৃক ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে অনুদানপ্রাপ্ত এই চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করছেন লাবিব নাজমুছ ছাকিব।
‘মায়ের ডাক’ সংগঠনের আহ্বায়ক সানজিদা ইসলাম তুলির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে গেস্ট অব অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী এমপি। এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে আলোকচিত্রী ও মানবাধিকারকর্মী শহিদুল আলম, হুম্মাম কাদের চৌধুরী এমপি, আনিসুর রহমান খোকন তালুকদার এমপি এবং তথ্য ও সম্প্রচার সচিব মাহবুবা ফারজানা উপস্থিত ছিলেন। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানগণ, গুম হওয়া পরিবারের সদস্যগণসহ বিভিন্ন পেশাজীবী ও চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্বরাও এই মহরতে অংশ নেন।
এ বিষয়ে নির্মাতা ও প্রযোজক লাবিব নাজমুছ ছাকিব বলেন, “গুম হওয়া পরিবারের নারীদের সংগ্রাম, সংকট এবং তাদের দৈনন্দিন জীবনই এই চলচ্চিত্রের মূল বিষয়বস্তু। যা প্রতিফলিত ও অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতিতে দৃশ্যমানভাবে তুলে ধরা হবে।” অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এমপি আবেগাপ্লুত কণ্ঠে বলেন, “আমি ‘মায়ের ডাক’-এর অনুষ্ঠানে আসলে আবেগ ধরে রাখতে পারি না। ‘মায়ের ডাক’ নামে চলচ্চিত্র নির্মিত হচ্ছে, এটা নিঃসন্দেহে ভালো দিক। আমরা চাই, এ চলচ্চিত্রে গুম-এর সত্যিকার ইতিহাসটা উঠে আসুক।” অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার হিসেবে তথ্য প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী তার বক্তব্যে বলেন, “আমি নিজেও একসময় গুম ছিলাম। তথ্য মন্ত্রণালয় গুম নিয়ে চলচ্চিত্র অনুদান করছে, এটা একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ।”
রিপোর্টারের নাম 

























