স্মার্টফোনের যুগে অনেকেই নতুন মডেলের ফোন কিনলেই পুরোনো ডিভাইসটি অকেজো ভেবে ঘরে ফেলে রাখেন। আলমারির ড্রয়ারে বা কোনো অব্যবহৃত কোণে পড়ে থাকা এই পুরোনো ফোনগুলো, বিশেষ করে সেগুলোর লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি, দীর্ঘ সময় অব্যবহৃত অবস্থায় থাকলেও ধীরে ধীরে বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন যে, পুরোনো ফোন এভাবে ফেলে রাখা কখনো কখনো বড় দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।
স্মার্টফোনের লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারি সময়ের সাথে সাথে রাসায়নিক বিক্রিয়ার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, এমনকি ব্যবহার না করলেও। ব্যাটারি ফুলে যাওয়া বা অভ্যন্তরীণ ত্রুটির মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। যদি ফোনটি অতিরিক্ত গরম পরিবেশে রাখা হয় বা ব্যাটারিতে কোনো সমস্যা তৈরি হয়, তবে এটি শর্ট সার্কিট বা বিস্ফোরণের মতো মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
অনেক সময় দেখা যায়, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা একটি ফোন হঠাৎ চার্জে বসালে সেটি অতিরিক্ত গরম হয়ে যায়, যা আগুন লাগা বা বিস্ফোরণের সম্ভাবনাকে বাড়িয়ে তোলে। এছাড়াও, সম্পূর্ণ চার্জ শেষ হওয়ার পর ফোনটিকে দীর্ঘ সময় ধরে চার্জারেই লাগিয়ে রাখা অথবা ফুলে যাওয়া ব্যাটারিযুক্ত ফোন ব্যবহার করাও অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অভ্যাস।
পুরোনো স্মার্টফোন কেবল ব্যক্তিগত সুরক্ষার জন্যই নয়, পরিবেশের জন্যও ক্ষতিকর। এগুলোতে থাকা ব্যাটারি ও ইলেকট্রনিক উপাদানে থাকা রাসায়নিক পদার্থ সঠিকভাবে নিষ্পত্তি না করলে মাটি ও পানির দূষণ ঘটাতে পারে। তাই, পরিবেশবান্ধব উপায়ে ই-বর্জ্য হিসেবে এই পুরোনো ফোনগুলোর নিষ্পত্তি করা উচিত।
রিপোর্টারের নাম 
























