ঢাকা ০৮:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬

ঢাবিতে রিকশা ভাড়ার চার্ট স্থাপন দুই মাস পরও অধরা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত পোশাকে ও ভাড়ায় অধুমপায়ী রিকশা প্রকল্পের ভাড়ার চার্ট বসানোর দুই মাস অতিবাহিত হলেও তা এখনও বাস্তবায়িত হয়নি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) এবং গ্রিন ফিউচার ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছিল।

ডাকসুর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রিকশাওয়ালাদের পোশাক (ভেস্ট), চালকদের তালিকা এবং ভাড়ার চার্ট প্রস্তুতসহ সকল কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে। তবে, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দেওয়া ১০০ জন অধুমপায়ী রিকশাচালকের তালিকা থেকে প্রায় ৫০ জন অনুমোদনহীন ব্যাটারিচালিত রিকশা চালানো শুরু করায় প্রকল্পটি আটকে আছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আশা করছে, আসন্ন ঈদের আগে বা পরে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।

ডাকসুর পরিবহন সম্পাদক আসিফ আব্দুল্লাহ জানিয়েছেন, তাদের পক্ষ থেকে সবকিছু প্রস্তুত থাকলেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রবেশ ও বহির্গমন পয়েন্টে লোকবল সরবরাহে বিলম্ব হওয়ায় প্রকল্পটি শুরু করা যাচ্ছে না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এস্টেট ম্যানেজার ফাতেমা বিনতে মোস্তফা বলেন, প্রকল্পের কাজ শুরু করার সময় ৩-৪ মাস লেগে যায়। এর মধ্যেই অনুমোদনহীন ব্যাটারিচালিত রিকশাগুলো জনপ্রিয় হয়ে ওঠে এবং তালিকাভুক্ত প্রায় ৫০ জন চালক সেগুলো ব্যবহার শুরু করে। বর্তমানে নতুন করে অধুমপায়ী ও তরুণ চালকদের তালিকা তৈরির কাজ চলছে।

শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে রিকশা ভাড়া নিয়ে তারা প্রায়শই বিড়ম্বনার শিকার হন। অল্প দূরত্বেও চালকরা অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করেন। কোনো তদারকি বা নির্ধারিত ভাড়ার তালিকা না থাকায় শিক্ষার্থীরা অনিচ্ছাসত্ত্বেও অতিরিক্ত ভাড়া দিতে বাধ্য হচ্ছেন। সম্প্রতি রিকশা ভাড়া আরও বেড়েছে; পূর্বে যে দূরত্বে ২০ টাকা ভাড়া লাগত, এখন সেখানে ৩০ টাকার কমে যেতে চালকরা অনীহা প্রকাশ করছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

করদাতাদের রসিদে জানানো হবে করের টাকা কোথায় ব্যয় হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

ঢাবিতে রিকশা ভাড়ার চার্ট স্থাপন দুই মাস পরও অধরা

আপডেট সময় : ০৭:০৫:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত পোশাকে ও ভাড়ায় অধুমপায়ী রিকশা প্রকল্পের ভাড়ার চার্ট বসানোর দুই মাস অতিবাহিত হলেও তা এখনও বাস্তবায়িত হয়নি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) এবং গ্রিন ফিউচার ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছিল।

ডাকসুর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, রিকশাওয়ালাদের পোশাক (ভেস্ট), চালকদের তালিকা এবং ভাড়ার চার্ট প্রস্তুতসহ সকল কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে। তবে, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দেওয়া ১০০ জন অধুমপায়ী রিকশাচালকের তালিকা থেকে প্রায় ৫০ জন অনুমোদনহীন ব্যাটারিচালিত রিকশা চালানো শুরু করায় প্রকল্পটি আটকে আছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আশা করছে, আসন্ন ঈদের আগে বা পরে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।

ডাকসুর পরিবহন সম্পাদক আসিফ আব্দুল্লাহ জানিয়েছেন, তাদের পক্ষ থেকে সবকিছু প্রস্তুত থাকলেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রবেশ ও বহির্গমন পয়েন্টে লোকবল সরবরাহে বিলম্ব হওয়ায় প্রকল্পটি শুরু করা যাচ্ছে না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এস্টেট ম্যানেজার ফাতেমা বিনতে মোস্তফা বলেন, প্রকল্পের কাজ শুরু করার সময় ৩-৪ মাস লেগে যায়। এর মধ্যেই অনুমোদনহীন ব্যাটারিচালিত রিকশাগুলো জনপ্রিয় হয়ে ওঠে এবং তালিকাভুক্ত প্রায় ৫০ জন চালক সেগুলো ব্যবহার শুরু করে। বর্তমানে নতুন করে অধুমপায়ী ও তরুণ চালকদের তালিকা তৈরির কাজ চলছে।

শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে রিকশা ভাড়া নিয়ে তারা প্রায়শই বিড়ম্বনার শিকার হন। অল্প দূরত্বেও চালকরা অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করেন। কোনো তদারকি বা নির্ধারিত ভাড়ার তালিকা না থাকায় শিক্ষার্থীরা অনিচ্ছাসত্ত্বেও অতিরিক্ত ভাড়া দিতে বাধ্য হচ্ছেন। সম্প্রতি রিকশা ভাড়া আরও বেড়েছে; পূর্বে যে দূরত্বে ২০ টাকা ভাড়া লাগত, এখন সেখানে ৩০ টাকার কমে যেতে চালকরা অনীহা প্রকাশ করছেন।