বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) নতুন কোচ নিয়োগের প্রক্রিয়ার শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে। বর্তমানে ১০ জন প্রার্থীর তালিকা নিয়ে কাজ করছে এবং কয়েকজনের সাক্ষাৎকারও সম্পন্ন হয়েছে। কোচের বেতন নিয়ে আগে থেকেই সবার কাছ থেকে আগ্রহ চাওয়া হয়েছিল এবং বর্তমানে চলছে শেষ মুহূর্তের আলোচনা। যদিও নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হয়েছে, তবে আজ-কালের মধ্যে কোচের নাম ঘোষণা হচ্ছে না, বরং নতুন সপ্তাহে তা জানানো হবে বলে জানা গেছে।
বাফুফের সংক্ষিপ্ত তালিকায় উচ্চমানের কোচ রয়েছেন, যাদের মধ্যে ওয়েলস, ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা ও জার্মানির কোচও অন্তর্ভুক্ত। পূর্বে এই কোচেরা প্রায় এক লক্ষ ডলার বা তার চেয়ে কম বেতনে কাজ করেছেন। তবে বাংলাদেশের জন্য তারা বেতন কমাতে রাজি হয়েছেন, যা সর্বোচ্চ ৪০ হাজার এবং সর্বনিম্ন ১৫ হাজার ডলারে এসে দাঁড়িয়েছে।
এ বিষয়ে বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল ও টেকনিকাল ডিরেক্টর সরাসরি কোচদের সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন। বাফুফের সদস্য ও টেকনিকাল কমিটির চেয়ারম্যান কামরুল হাসান হিলটন জানিয়েছেন, কোচরা বাংলাদেশের জন্য বেতন কমিয়েছেন কারণ তারা মনে করছেন বাংলাদেশ দলটি আগের চেয়ে বেশ শক্তিশালী এবং প্রবাসীরা যুক্ত হওয়ায় দল আরও ব্যালেন্সড হয়েছে। হামজার মতো খেলোয়াড় থাকায় অনেকের দৃষ্টি এখন বাংলাদেশের দলের দিকে। তারা মনে করছেন, এই দল নিয়ে সামনে এগোনো সম্ভব এবং এতে কোচরাও সফল হবেন। তাই আবেদনকারীরা বাংলাদেশের ফুটবলের অর্থনৈতিক কাঠামো বিবেচনা করে তাদের বেতনের চাহিদা কমিয়েছেন। তিনি আরও জানান, আগামী সপ্তাহে কোচের নাম চূড়ান্ত হতে পারে এবং সাক্ষাৎকার প্রক্রিয়া এখনও চলছে।
বেতন কাঠামো নিয়ে হিলটন আরও জানান যে, বেতন এখনও চূড়ান্ত হয়নি। কোচরা কেউ ৪০ হাজার বা কেউ ১৫ হাজার ডলার চেয়েছেন। বর্তমানে আলোচনা চলছে এবং এর পরেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে যে কাকে নিয়োগ দেওয়া হবে।
রিপোর্টারের নাম 


















