ঢাকা ০৭:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬

শবে কদর ও ঈদুল ফিতরের মাঝে ১৮ মার্চ সরকারি ছুটি ঘোষণা

শবে কদর ও ঈদুল ফিতরের নির্ধারিত ছুটির মধ্যবর্তী দিন, অর্থাৎ আগামী ১৮ মার্চ (বুধবার) নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। রবিবার এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ১৮ মার্চ সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে। তবে, জরুরি পরিষেবা যেমন—বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি সরবরাহ, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরের কার্যক্রম, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট, ডাকসেবা এবং এ সংশ্লিষ্ট সেবা কাজে নিয়োজিত যানবাহন ও কর্মীরা এই ছুটির আওতার বাইরে থাকবেন।

এছাড়াও, হাসপাতাল ও জরুরি সেবা এবং এ সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মী ও চিকিৎসাসেবা কর্মীদের, ঔষধসহ চিকিৎসা সরঞ্জামাদি বহনকারী যানবাহন ও কর্মীদের এবং জরুরি কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত অফিসগুলোও এই ছুটির আওতা-বহির্ভূত থাকবে।

ব্যাংক কার্যক্রম চালু রাখার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক এবং আদালতের কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করবে। বেসরকারি খাতের শিল্প প্রতিষ্ঠান বা কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠানের জন্য সাধারণ ছুটি ঘোষণার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ অনুযায়ী শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নতুন কোচের বেতন সর্বোচ্চ ৪০ হাজার ডলার, সর্বনিম্ন ১৫ হাজার

শবে কদর ও ঈদুল ফিতরের মাঝে ১৮ মার্চ সরকারি ছুটি ঘোষণা

আপডেট সময় : ০৫:১০:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬

শবে কদর ও ঈদুল ফিতরের নির্ধারিত ছুটির মধ্যবর্তী দিন, অর্থাৎ আগামী ১৮ মার্চ (বুধবার) নির্বাহী আদেশে সরকারি ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। রবিবার এ বিষয়ে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ১৮ মার্চ সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত এবং বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে। তবে, জরুরি পরিষেবা যেমন—বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি সরবরাহ, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরের কার্যক্রম, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট, ডাকসেবা এবং এ সংশ্লিষ্ট সেবা কাজে নিয়োজিত যানবাহন ও কর্মীরা এই ছুটির আওতার বাইরে থাকবেন।

এছাড়াও, হাসপাতাল ও জরুরি সেবা এবং এ সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মী ও চিকিৎসাসেবা কর্মীদের, ঔষধসহ চিকিৎসা সরঞ্জামাদি বহনকারী যানবাহন ও কর্মীদের এবং জরুরি কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত অফিসগুলোও এই ছুটির আওতা-বহির্ভূত থাকবে।

ব্যাংক কার্যক্রম চালু রাখার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক এবং আদালতের কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করবে। বেসরকারি খাতের শিল্প প্রতিষ্ঠান বা কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠানের জন্য সাধারণ ছুটি ঘোষণার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ অনুযায়ী শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।