ঢাকা ০৬:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬

জেমস ক্যামেরনের বিরুদ্ধে মামলা করলেন অভিনেত্রী কোয়োরিয়ানকা কিলচার

হলিউডের বিখ্যাত পরিচালক জেমস ক্যামেরন এবং ডিজনি স্টুডিওর বিরুদ্ধে আইনি লড়াই শুরু করেছেন অভিনেত্রী কোয়োরিয়ানকা কিলচার। তার অভিযোগ, অস্কারজয়ী চলচ্চিত্র ‘অ্যাভাটার’-এর অন্যতম প্রধান চরিত্র ‘নেইতিরি’-র মুখের নকশা তৈরি করতে তার অনুমতি ছাড়াই তার কিশোরী বয়সের ছবি ব্যবহার করা হয়েছে।

মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, ২০০৫ সালে তোলা কিলচারের একটি ছবি থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে এই চরিত্রের মুখের আদল তৈরি করা হয়। পরবর্তীতে থ্রিডি প্রযুক্তি ও স্কাল্পচারের মাধ্যমে তা চূড়ান্ত রূপ পায়। বিষয়টি অনেক পরে প্রকাশ্যে আসে যখন জেমস ক্যামেরন এক সাক্ষাৎকারে স্বীকার করেন যে, চরিত্রটি তৈরিতে কিলচারের মুখের গঠন অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে। কোনো প্রকার সম্মতি বা ক্ষতিপূরণ ছাড়া ব্যক্তিগত ডিজিটাল লাইকনেস ব্যবহারের এই ঘটনাকে তিনি নৈতিক ও আইনগত লঙ্ঘন হিসেবে দাবি করেছেন। বিশ্বজুড়ে ব্যাপক ব্যবসা করা এই সিনেমার চরিত্রটি নিয়ে সৃষ্ট এই বিতর্ক হলিউডে ডিজিটাল ইমেজ ব্যবহারের অধিকার ও নৈতিকতা নিয়ে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ব্যারাকে ফিরছে সেনাবাহিনী: জুনের মধ্যে মাঠপর্যায় থেকে প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত

জেমস ক্যামেরনের বিরুদ্ধে মামলা করলেন অভিনেত্রী কোয়োরিয়ানকা কিলচার

আপডেট সময় : ০৫:৫৩:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬

হলিউডের বিখ্যাত পরিচালক জেমস ক্যামেরন এবং ডিজনি স্টুডিওর বিরুদ্ধে আইনি লড়াই শুরু করেছেন অভিনেত্রী কোয়োরিয়ানকা কিলচার। তার অভিযোগ, অস্কারজয়ী চলচ্চিত্র ‘অ্যাভাটার’-এর অন্যতম প্রধান চরিত্র ‘নেইতিরি’-র মুখের নকশা তৈরি করতে তার অনুমতি ছাড়াই তার কিশোরী বয়সের ছবি ব্যবহার করা হয়েছে।

মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, ২০০৫ সালে তোলা কিলচারের একটি ছবি থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে এই চরিত্রের মুখের আদল তৈরি করা হয়। পরবর্তীতে থ্রিডি প্রযুক্তি ও স্কাল্পচারের মাধ্যমে তা চূড়ান্ত রূপ পায়। বিষয়টি অনেক পরে প্রকাশ্যে আসে যখন জেমস ক্যামেরন এক সাক্ষাৎকারে স্বীকার করেন যে, চরিত্রটি তৈরিতে কিলচারের মুখের গঠন অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে। কোনো প্রকার সম্মতি বা ক্ষতিপূরণ ছাড়া ব্যক্তিগত ডিজিটাল লাইকনেস ব্যবহারের এই ঘটনাকে তিনি নৈতিক ও আইনগত লঙ্ঘন হিসেবে দাবি করেছেন। বিশ্বজুড়ে ব্যাপক ব্যবসা করা এই সিনেমার চরিত্রটি নিয়ে সৃষ্ট এই বিতর্ক হলিউডে ডিজিটাল ইমেজ ব্যবহারের অধিকার ও নৈতিকতা নিয়ে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।