সরকারিভাবে ছাপানো নতুন নোটের কালোবাজারি বন্ধে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরকে একটি আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৭ মে) অ্যাডভোকেট আনোয়ার হোসেন ডাকযোগে এই নোটিশ প্রেরণ করেন। অ্যাডভোকেট আনোয়ার হোসেন নিজেই এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক ছাপানো নতুন নোট অসাধু ব্যক্তি, দালাল চক্র এবং কিছু ব্যাংক কর্মকর্তার যোগসাজশে সংগ্রহ করে সাধারণ জনগণের কাছে খোলা বাজারে অতিরিক্ত মূল্যে বিক্রি করা হচ্ছে। বিশেষ করে ঈদ ও বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসবের সময় এই অবৈধ কার্যক্রম ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়। গত ঈদে ব্যাংক থেকে নতুন টাকা সংগ্রহ করতে আসা অ্যাকাউন্ট হোল্ডাররা খালি হাতে ফেরত যেতে বাধ্য হয়েছেন।
এই ধরনের কার্যকলাপ দেশের প্রচলিত আইন, আর্থিক শৃঙ্খলা এবং সাধারণ জনগণের ন্যায্য অধিকার ও স্বার্থের পরিপন্থী এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এর দায় বাংলাদেশ ব্যাংক কোনোভাবেই এড়াতে পারে না। অথচ দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক হিসেবে মুদ্রা ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব বাংলাদেশ ব্যাংকের ওপর ন্যস্ত থাকা সত্ত্বেও এই অবৈধ কার্যক্রম প্রতিরোধে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না, যা জনস্বার্থের পরিপন্থী এবং দায়িত্ব পালনে চরম অবহেলা।
নোটিশ প্রাপ্তির ১৫ দিনের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক বিতরণ করা নতুন নোটের কালোবাজারি বন্ধে অবিলম্বে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে কিনা, ব্যাংকগুলোতে নতুন নোট বিতরণের জন্য পৃথক ডেস্ক স্থাপন করা হবে কিনা, অথবা কঠোর তদারকি ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হবে কিনা— এই বিষয়ে জবাব দাখিল করতে বলা হয়েছে। ব্যর্থতার ক্ষেত্রে প্রচলিত আইন অনুযায়ী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানিয়েছেন এই আইনজীবী।
রিপোর্টারের নাম 




















