ঢাকা ১০:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬

শত্রুঘাঁটির জ্বালানি ভাণ্ডার ও রানওয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়ার দাবি আইআরজিসির

ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) দাবি করেছে যে, তাদের সাম্প্রতিক অভিযানে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর একাধিক কৌশলগত সামরিক স্থাপনা সফলভাবে ধ্বংস করা হয়েছে। এর মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য হলো দেশ দু’টির গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি সংরক্ষণাগার এবং বিমানবাহিনীর রানওয়ে। আইআরজিসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিখুঁত নিশানায় চালানো এই হামলায় প্রতিপক্ষের সামরিক সক্ষমতা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

অভিযানের বিস্তারিত তুলে ধরে আইআরজিসি জানায়, তাদের নিক্ষিপ্ত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনগুলো পূর্বনির্ধারিত লক্ষ্যবস্তুতে নির্ভুলভাবে আঘাত হেনেছে। বিশেষ করে যেসব ঘাঁটি থেকে ইরানের বিরুদ্ধে কার্যক্রম পরিচালনা করা হতো, সেইসব ঘাঁটির রানওয়েগুলো অকেজো করে দেওয়া হয়েছে যাতে কোনো যুদ্ধবিমান সেখান থেকে উড্ডয়ন করতে না পারে। এছাড়া জ্বালানি ডিপোগুলোতে বড় ধরনের বিস্ফোরণ ঘটানোর ফলে সংশ্লিষ্ট সামরিক ইউনিটগুলোর রসদ সরবরাহ ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এই অভিযানটি ছিল অত্যন্ত সুপরিকল্পিত এবং এটি মূলত প্রতিপক্ষের আগ্রাসনের দাঁতভাঙা জবাব। ধ্বংসপ্রাপ্ত স্থাপনাগুলোর ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে দীর্ঘ সময় লাগবে বলেও আইআরজিসির পক্ষ থেকে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট অঞ্চলগুলোতে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং আন্তর্জাতিক মহলে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। তবে আইআরজিসি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তারা ভবিষ্যতে যেকোনো ধরনের কঠোর পদক্ষেপ নিতে দ্বিধাবোধ করবে না।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরান ইস্যুতে সংলাপের ওপর জোর এরদোয়ানের, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনালাপ

শত্রুঘাঁটির জ্বালানি ভাণ্ডার ও রানওয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়ার দাবি আইআরজিসির

আপডেট সময় : ০৮:৪১:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) দাবি করেছে যে, তাদের সাম্প্রতিক অভিযানে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর একাধিক কৌশলগত সামরিক স্থাপনা সফলভাবে ধ্বংস করা হয়েছে। এর মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য হলো দেশ দু’টির গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি সংরক্ষণাগার এবং বিমানবাহিনীর রানওয়ে। আইআরজিসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিখুঁত নিশানায় চালানো এই হামলায় প্রতিপক্ষের সামরিক সক্ষমতা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

অভিযানের বিস্তারিত তুলে ধরে আইআরজিসি জানায়, তাদের নিক্ষিপ্ত ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনগুলো পূর্বনির্ধারিত লক্ষ্যবস্তুতে নির্ভুলভাবে আঘাত হেনেছে। বিশেষ করে যেসব ঘাঁটি থেকে ইরানের বিরুদ্ধে কার্যক্রম পরিচালনা করা হতো, সেইসব ঘাঁটির রানওয়েগুলো অকেজো করে দেওয়া হয়েছে যাতে কোনো যুদ্ধবিমান সেখান থেকে উড্ডয়ন করতে না পারে। এছাড়া জ্বালানি ডিপোগুলোতে বড় ধরনের বিস্ফোরণ ঘটানোর ফলে সংশ্লিষ্ট সামরিক ইউনিটগুলোর রসদ সরবরাহ ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এই অভিযানটি ছিল অত্যন্ত সুপরিকল্পিত এবং এটি মূলত প্রতিপক্ষের আগ্রাসনের দাঁতভাঙা জবাব। ধ্বংসপ্রাপ্ত স্থাপনাগুলোর ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে দীর্ঘ সময় লাগবে বলেও আইআরজিসির পক্ষ থেকে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট অঞ্চলগুলোতে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং আন্তর্জাতিক মহলে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। তবে আইআরজিসি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তারা ভবিষ্যতে যেকোনো ধরনের কঠোর পদক্ষেপ নিতে দ্বিধাবোধ করবে না।