রাজশাহীর একটি হোটেলের কক্ষ থেকে উদ্ধার করা দুই বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর মরদেহ ঘিরে তৈরি হয়েছিল এক জটিল রহস্য। ২০১৬ সালের ২২ এপ্রিল হোটেল নাইস ইন্টারন্যাশনালের একটি কক্ষ থেকে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী সুমাইয়া নাসরীন এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র মিজানুর রহমানের নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হলেও পরবর্তী তদন্তে বেরিয়ে আসে এটি ছিল এক পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।
পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে আত্মহত্যার ইঙ্গিত থাকলেও নিহতের পরিবারের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে আদালত পিবিআইকে পুনরায় তদন্তের নির্দেশ দেয়। পিবিআইয়ের নিবিড় তদন্তে বেরিয়ে আসে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য। কক্ষের ভেতর থেকে উদ্ধার করা সিগারেট ফিল্টার, ভিকটিমের শরীরের অস্বাভাবিক অবস্থা এবং হাতের ছাপসহ বিভিন্ন আলামত প্রমাণ করে যে, এটি নিছক আত্মহত্যা নয়, বরং সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা। দীর্ঘ তদন্ত ও প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণের মাধ্যমে এই ক্লুলেস হত্যাকাণ্ডের রহস্য উন্মোচনের প্রক্রিয়াটি অপরাধ বিজ্ঞানে এক অনন্য নজির হয়ে আছে।
রিপোর্টারের নাম 























