ঢাকার মার্কিন দূতাবাসে গণঅধিকার পরিষদের নেতাদের সঙ্গে দেশটির দূতাবাসের পলিটিক্যাল সেক্রেটারি জেমস স্টেয়ার্টের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (৭ মে) গুলশানে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে মার্কিন দূতাবাসের পলিটিক্যাল সেক্রেটারি জেমস স্টেয়ার্টের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল অংশ নেয়। অন্যদিকে, গণঅধিকার পরিষদের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) হাসান আল মামুন, মুখপাত্র ও সিনিয়র সহ-সভাপতি ফারুক হাসান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান এবং ছাত্র অধিকার পরিষদের সাবেক সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লা।
আলোচনার মূল বিষয়বস্তু ছিল নির্বাচন পরবর্তী বাংলাদেশ-আমেরিকা মধ্যকার সম্পর্ক, জুলাই সনদ ও গণভোট, মানবাধিকার, সুশাসন, নারীর ক্ষমতায়ন এবং সাম্প্রতিক বাণিজ্য চুক্তি। বৈঠকে গণঅধিকার পরিষদ তাদের দলীয় অবস্থান স্পষ্টভাবে তুলে ধরে। তারা আমেরিকার সঙ্গে বাংলাদেশের পারস্পরিক সহযোগিতা ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে ন্যায্যতা ও ভারসাম্য বজায় রাখার ওপর জোর দেয়।
বৈঠক প্রসঙ্গে ছাত্র অধিকার পরিষদের সাবেক সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লা গণমাধ্যমকে জানান, বৈঠকে জুলাই সনদ, হিউম্যান রাইটস কমিশন, সচিবালয়ে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ, গণতন্ত্র ও মানবাধিকারসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এছাড়া, বর্তমান সরকারের সঙ্গে জোটবদ্ধ থাকার প্রেক্ষাপটে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জোটের ভবিষ্যৎ নিয়েও আলোচনা হয়।
আমেরিকার সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য চুক্তির বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা স্পষ্টভাবে বলেছি, আমেরিকার সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক হবে ন্যায্যতা এবং ভারসাম্যপূর্ণ।’ তিনি জানান, তারা চুক্তির ৮-৯টি বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন, যেগুলো বাংলাদেশের জন্য অকল্যাণকর বলে মনে হয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তী সময়ে আবারও আলোচনার কথা হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 























