ঢাকা ০৯:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬

নেপালে গণ-অভ্যুত্থানের নেতাদের সরকার গঠন: ঢাবি-ভাইব্রাদার সংস্কৃতির অনুপস্থিতিই মূল কারণ?

নেপালের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক উত্থানে নেতৃত্বদানকারী ব্যক্তিরাই এখন সরকার পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মার মন্তব্য করেছেন যে, নেপালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) বা ভাই-ব্রাদার সংস্কৃতির মতো প্রভাব বিস্তারের সুযোগ না থাকাই এই স্থিতিশীলতার অন্যতম কারণ।

শুক্রবার (তারিখ) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক পোস্টে তিনি এই অভিমত ব্যক্ত করেন। আম্মার তাঁর লেখায় উল্লেখ করেন যে, “ঢাবিয়ানরা আল্লাহর ওয়াস্তে মন খারাপ কইরেন না। আপনারা অনেকেই আমার সাথে একমত হবেন।” তিনি আরও বলেন, “জুলাই মাসের পর থেকে ইমাম, মাস্টারমাইন্ড, মুয়াজ্জিন, নয় দফার ঘোষক—কে কারে আশ্রয় দিয়েছে, কে কারে মোবাইল কিনে দিয়েছে—এসব নিয়ে চরম মাত্রার পাগলামি করা হয়েছে।”

সালাহউদ্দিন আম্মার আরও অভিযোগ করেন যে, সে সময় তিনি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন আন্দোলনের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন। বিশেষ করে, পোষ্য কোটা আন্দোলন যখন তুঙ্গে ছিল, তখন জাতীয় পর্যায়ের অনেক প্রভাবশালী নেতা এসব “পাগলামি” নিয়ে এতটাই ব্যস্ত ছিলেন যে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পোষ্য কোটা বাতিলের দাবিতে জোরালো কোনো প্রতিবাদ বা পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য তাঁদের কাছে পর্যাপ্ত সময় ছিল না। তাঁর মতে, এই ধরনের অনুষঙ্গহীন বা ব্যক্তিগত স্বার্থে পরিচালিত কর্মকাণ্ডের অনুপস্থিতিই নেপালের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হতে পারে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরান ইস্যুতে সংলাপের ওপর জোর এরদোয়ানের, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনালাপ

নেপালে গণ-অভ্যুত্থানের নেতাদের সরকার গঠন: ঢাবি-ভাইব্রাদার সংস্কৃতির অনুপস্থিতিই মূল কারণ?

আপডেট সময় : ০৮:২৪:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

নেপালের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক উত্থানে নেতৃত্বদানকারী ব্যক্তিরাই এখন সরকার পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মার মন্তব্য করেছেন যে, নেপালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) বা ভাই-ব্রাদার সংস্কৃতির মতো প্রভাব বিস্তারের সুযোগ না থাকাই এই স্থিতিশীলতার অন্যতম কারণ।

শুক্রবার (তারিখ) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক পোস্টে তিনি এই অভিমত ব্যক্ত করেন। আম্মার তাঁর লেখায় উল্লেখ করেন যে, “ঢাবিয়ানরা আল্লাহর ওয়াস্তে মন খারাপ কইরেন না। আপনারা অনেকেই আমার সাথে একমত হবেন।” তিনি আরও বলেন, “জুলাই মাসের পর থেকে ইমাম, মাস্টারমাইন্ড, মুয়াজ্জিন, নয় দফার ঘোষক—কে কারে আশ্রয় দিয়েছে, কে কারে মোবাইল কিনে দিয়েছে—এসব নিয়ে চরম মাত্রার পাগলামি করা হয়েছে।”

সালাহউদ্দিন আম্মার আরও অভিযোগ করেন যে, সে সময় তিনি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন আন্দোলনের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন। বিশেষ করে, পোষ্য কোটা আন্দোলন যখন তুঙ্গে ছিল, তখন জাতীয় পর্যায়ের অনেক প্রভাবশালী নেতা এসব “পাগলামি” নিয়ে এতটাই ব্যস্ত ছিলেন যে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পোষ্য কোটা বাতিলের দাবিতে জোরালো কোনো প্রতিবাদ বা পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য তাঁদের কাছে পর্যাপ্ত সময় ছিল না। তাঁর মতে, এই ধরনের অনুষঙ্গহীন বা ব্যক্তিগত স্বার্থে পরিচালিত কর্মকাণ্ডের অনুপস্থিতিই নেপালের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হতে পারে।