পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। রবিবার জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে বিবৃতি দিয়ে তিনি এ তথ্য জানান। তিনি আরও বলেন, ইন্টারপোলের সহায়তায় দুর্নীতিসহ একাধিক মামলায় অভিযুক্ত বেনজীর আহমেদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এদিকে, একসময়ের দোর্দণ্ড প্রতাপশালী র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নে (র্যাব) মহাপরিচালক পদে দায়িত্ব পালনের সময় বেনজীর আহমেদ গুমের সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তাদের উৎসাহিত করতেন বলে অভিযোগ উঠেছে। গুম কমিশনের দ্বিতীয় অন্তর্বর্তীকালীন প্রতিবেদনের ষষ্ঠ অধ্যায়ে এই তথ্য তুলে ধরা হয়েছে, যা সম্প্রতি গণমাধ্যমের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বেনজীর আহমেদ তৎকালীন র্যাবে কর্মরত এক কর্মকর্তার বিষয়ে তার ‘কর্মদক্ষতা খুবই সন্তোষজনক’ এবং ‘নেতৃত্ব উচ্চমানের’ বলে প্রশংসা করেছিলেন। ওই কর্মকর্তা বর্তমানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে ব্রিগেডিয়ার হিসেবে কর্মরত আছেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গুমের ঘটনাগুলো একক ব্যক্তির বিচ্ছিন্ন কাজ ছিল না, বরং প্রতিটি ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ইউনিটের একাধিক সদস্যের অংশগ্রহণ ছিল, যা গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর অজান্তে ঘটা প্রায় অসম্ভব। গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা সহকর্মীদের কার্যকলাপ পর্যবেক্ষণ করে ঊর্ধ্বতনদের কাছে প্রতিবেদন দেওয়ার দায়িত্বে থাকলেও, অপরাধের মাত্রা ব্যাপক হওয়া সত্ত্বেও কোনো ফাইলেই ‘গুম’ শব্দটি উল্লেখ করা হয়নি। মনে হয় যেন এসব সেনা ও পুলিশ কর্মকর্তারা কখনো এমন কোনো অপরাধে জড়িতই হননি। প্রতিবেদনে আরো উল্লেখ করা হয়েছে যে, র্যাবের মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময় বেনজীর আহমেদ গুমের সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তাদের বিশেষভাবে উৎসাহিত করতেন।
রিপোর্টারের নাম 




















