ঢাকা ০৭:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

অক্টোবরে সামান্য কমেছে মূল্যস্ফীতি

বাংলাদেশে সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি অক্টোবর মাসে সামান্য কমে ৮ দশমিক ১৭ শতাংশে নেমে এসেছে, যা সেপ্টেম্বরে ছিল ৮ দশমিক ৩৬ শতাংশ। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্যে এই চিত্র উঠে এসেছে।

বিবিএস জানায়, গত মাসে খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি কমে এসেছে ৭ দশমিক ৬৪ শতাংশ থেকে ৭ দশমিক ০৮ শতাংশে। ফলে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে সাধারণ ভোক্তাদের মধ্যে। বিশেষ করে চাল, ডাল, ভোজ্যতেল ও কিছু সবজির দাম কমায় এ প্রবণতা দেখা গেছে।

তবে খাদ্যের দামের এই হ্রাস আংশিকভাবে অফসেট হয়েছে খাদ্যবহির্ভূত খাতে ব্যয়ের বৃদ্ধি দিয়ে। অক্টোবরে খাদ্যবহির্ভূত (নন-ফুড) মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ১৩ শতাংশে, যা সেপ্টেম্বরে ছিল ৮ দশমিক ৮৯ শতাংশ।

বিশ্লেষকদের মতে, গ্যাস, বিদ্যুৎ, পরিবহন ও বিভিন্ন সেবার খরচ বৃদ্ধির কারণে খাদ্যবহির্ভূত খাতে চাপ বেড়েছে। ফলে সামগ্রিকভাবে মূল্যস্ফীতি এখনও উচ্চ পর্যায়ে রয়ে গেছে।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বাজারে স্থিতিশীলতা আনতে সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নয়ন, আমদানি ব্যয় নিয়ন্ত্রণ এবং ডলারের বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখা এখন জরুরি হয়ে পড়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘দম’ জয় করছে আমেরিকা, ‘প্রেশার কুকার’ যাচ্ছে লন্ডনে

অক্টোবরে সামান্য কমেছে মূল্যস্ফীতি

আপডেট সময় : ০৬:৩৭:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৫ নভেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশে সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি অক্টোবর মাসে সামান্য কমে ৮ দশমিক ১৭ শতাংশে নেমে এসেছে, যা সেপ্টেম্বরে ছিল ৮ দশমিক ৩৬ শতাংশ। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্যে এই চিত্র উঠে এসেছে।

বিবিএস জানায়, গত মাসে খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি কমে এসেছে ৭ দশমিক ৬৪ শতাংশ থেকে ৭ দশমিক ০৮ শতাংশে। ফলে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে সাধারণ ভোক্তাদের মধ্যে। বিশেষ করে চাল, ডাল, ভোজ্যতেল ও কিছু সবজির দাম কমায় এ প্রবণতা দেখা গেছে।

তবে খাদ্যের দামের এই হ্রাস আংশিকভাবে অফসেট হয়েছে খাদ্যবহির্ভূত খাতে ব্যয়ের বৃদ্ধি দিয়ে। অক্টোবরে খাদ্যবহির্ভূত (নন-ফুড) মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ১৩ শতাংশে, যা সেপ্টেম্বরে ছিল ৮ দশমিক ৮৯ শতাংশ।

বিশ্লেষকদের মতে, গ্যাস, বিদ্যুৎ, পরিবহন ও বিভিন্ন সেবার খরচ বৃদ্ধির কারণে খাদ্যবহির্ভূত খাতে চাপ বেড়েছে। ফলে সামগ্রিকভাবে মূল্যস্ফীতি এখনও উচ্চ পর্যায়ে রয়ে গেছে।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বাজারে স্থিতিশীলতা আনতে সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নয়ন, আমদানি ব্যয় নিয়ন্ত্রণ এবং ডলারের বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখা এখন জরুরি হয়ে পড়েছে।