চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের হামলায় জামায়াত কর্মী হাফিজুর রহমান নিহতের ঘটনায় উত্তাল হয়ে উঠেছে জেলা শহর। হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
সোমবার (আজ) বিকেল ৪টায় চুয়াডাঙ্গা সদর ও পৌর জামায়াতের যৌথ উদ্যোগে একটি বিশাল বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো প্রদক্ষিণ শেষে শহীদ হাসান চত্বরে এসে এক প্রতিবাদ সমাবেশে মিলিত হয়।
সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান বলেন, হাফিজুর রহমানের খুনিদের অবিলম্বে আইনের আওতায় আনতে হবে। তিনি প্রশাসনের প্রতি আলটিমেটাম দিয়ে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অপরাধীরা গ্রেপ্তার না হলে জীবননগরে তীব্র গণআন্দোলন গড়ে তোলা হবে। এসময় তিনি হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে ফাঁসির দাবি জানান।
পৌর জামায়াতের আমির হাসিবুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন ইসলামী ছাত্রশিবিরের জেলা সভাপতি সাগর আহমেদ, জামায়াতের জেলা ইউনিট সদস্য আব্দুর রউফ এবং সদর আমির মাওলানা বিলাল হুসাইনসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। বক্তারা অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে বিএনপি কর্মীরা এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে।
উল্লেখ্য, গত রবিবার বিকেল ৪টায় জীবননগর উপজেলার সুটিয়া গ্রামে জানাজা শেষে নিহত হাফিজুর রহমানকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। এর আগে জীবননগরে হামলার শিকার হয়ে তিনি প্রাণ হারান। এলাকায় যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে প্রশাসনকে সতর্ক অবস্থানে থাকতে দেখা গেছে।
রিপোর্টারের নাম 



















