ঢাকা ০৭:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ মার্চ ২০২৬

হামলার শিকার জামায়াত নেতাকে দেখতে হাসপাতালে ডা. শফিকুর, নিহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে হামলার শিকার হয়ে গুরুতর আহত দলের এক নেতাকে দেখতে গতকাল রবিবার রাজধানীর অরোরা হাসপাতালে যান। এ সময় তিনি আহত বাঁকা ইউনিয়ন আমির মো. মফিজুর রহমানের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন এবং তার পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দেন। একই হামলায় মফিজুর রহমানের বড় ভাই মো. হাফিজুর রহমান নিহত হয়েছেন বলেও জানা গেছে।

গতকাল সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ডা. শফিকুর রহমান কাকরাইলের অরোরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মো. মফিজুর রহমানকে দেখতে যান। এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি, ঢাকার পল্টন থানা আমিরসহ জামায়াতের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। তারা কর্তব্যরত চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে আহত নেতার চিকিৎসার খোঁজখবর নেন এবং তার দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন।

জানা যায়, গত শনিবার সন্ধ্যায় জীবননগর উপজেলার বাঁকা ইউনিয়নে এক পরিকল্পিত হামলার ঘটনা ঘটে। জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর নেতাকর্মীরা রড, চাইনিজ কুড়াল ও ধারালো দেশীয় অস্ত্র নিয়ে জামায়াতের কয়েকজন নেতা-কর্মীর ওপর এলোপাতাড়ি আক্রমণ চালায়। এই হামলায় বাঁকা ইউনিয়ন আমির মো. মফিজুর রহমানসহ চারজন গুরুতর আহত হন। তাদের মধ্যে মো. মফিজুর রহমানের বড় ভাই মো. হাফিজুর রহমান (৫৫) ঘটনাস্থলেই নিহত হন।

প্রাথমিকভাবে আহতদের জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় পরে তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য যশোর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানেও অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় তাদের ঢাকায় রেফার করা হয়। বর্তমানে মো. মফিজুর রহমান কাকরাইলের অরোরা হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

আহত নেতাকে দেখতে গিয়ে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ এ ধরনের সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। তারা অবিলম্বে হামলাকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন। একই সঙ্গে নিহত মো. হাফিজুর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঈদের ইত্যাদিতে অর্ধশতাধিক বিদেশির নাচ-গান: সমাজ সচেতনতার বিশেষ বার্তা

হামলার শিকার জামায়াত নেতাকে দেখতে হাসপাতালে ডা. শফিকুর, নিহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা

আপডেট সময় : ০৫:৪৬:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে হামলার শিকার হয়ে গুরুতর আহত দলের এক নেতাকে দেখতে গতকাল রবিবার রাজধানীর অরোরা হাসপাতালে যান। এ সময় তিনি আহত বাঁকা ইউনিয়ন আমির মো. মফিজুর রহমানের শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন এবং তার পরিবারের সদস্যদের সান্ত্বনা দেন। একই হামলায় মফিজুর রহমানের বড় ভাই মো. হাফিজুর রহমান নিহত হয়েছেন বলেও জানা গেছে।

গতকাল সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ডা. শফিকুর রহমান কাকরাইলের অরোরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মো. মফিজুর রহমানকে দেখতে যান। এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি, ঢাকার পল্টন থানা আমিরসহ জামায়াতের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। তারা কর্তব্যরত চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে আহত নেতার চিকিৎসার খোঁজখবর নেন এবং তার দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন।

জানা যায়, গত শনিবার সন্ধ্যায় জীবননগর উপজেলার বাঁকা ইউনিয়নে এক পরিকল্পিত হামলার ঘটনা ঘটে। জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর নেতাকর্মীরা রড, চাইনিজ কুড়াল ও ধারালো দেশীয় অস্ত্র নিয়ে জামায়াতের কয়েকজন নেতা-কর্মীর ওপর এলোপাতাড়ি আক্রমণ চালায়। এই হামলায় বাঁকা ইউনিয়ন আমির মো. মফিজুর রহমানসহ চারজন গুরুতর আহত হন। তাদের মধ্যে মো. মফিজুর রহমানের বড় ভাই মো. হাফিজুর রহমান (৫৫) ঘটনাস্থলেই নিহত হন।

প্রাথমিকভাবে আহতদের জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় পরে তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য যশোর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানেও অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় তাদের ঢাকায় রেফার করা হয়। বর্তমানে মো. মফিজুর রহমান কাকরাইলের অরোরা হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

আহত নেতাকে দেখতে গিয়ে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ এ ধরনের সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। তারা অবিলম্বে হামলাকারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন। একই সঙ্গে নিহত মো. হাফিজুর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।