ঢাকা ০৬:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বইয়ের প্রতি তরুণ প্রজন্মকে আগ্রহী করে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:৫৭:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছেন। তিনি বলেন, নিয়মিত বই পড়া মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বৃদ্ধিতে সহায়ক। গবেষণায় দেখা গেছে, এটি স্মৃতিশক্তি ও বিশ্লেষণাত্মক ক্ষমতা বাড়াতে এবং আলঝেইমার ও ডিমেনশিয়ার মতো রোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।

বৃহস্পতিবার বিকেলে অমর একুশে বইমেলা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এই কথা বলেন। বই পড়ার গুরুত্ব অপরিসীম উল্লেখ করে তিনি বলেন, “বই ছাড়া ঘর আত্মা ছাড়া দেহের মতো।” তিনি বইকে কেবল জ্ঞান অর্জনের মাধ্যম বা অবসরের সঙ্গী হিসেবে না দেখে মস্তিষ্কের ব্যায়াম হিসেবেও অভিহিত করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সময়ে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যাপক প্রসার, বিশেষ করে ইন্টারনেট আসক্তি তরুণ প্রজন্মকে বইবিমুখ করে তুলছে। যদিও ইন্টারনেটের মাধ্যমেও জ্ঞানার্জন সম্ভব, তবে বইয়ের পাতায় মুদ্রিত অক্ষরের মাধ্যমে যে গভীর জ্ঞান লাভ করা যায়, তা দীর্ঘক্ষণ স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থেকে অর্জন করা কঠিন। এর পাশাপাশি শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

তিনি যুক্তরাজ্য ও কানাডার মতো উন্নত দেশগুলোর বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণার উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, ইন্টারনেট আসক্তি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ কমিয়ে দিতে পারে। প্রযুক্তির ব্যবহার জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠলেও এর ক্ষতিকর দিকগুলো সম্পর্কেও আমাদের সচেতন থাকতে হবে। তাই, তরুণদের বইয়ের প্রতি আরও বেশি আগ্রহী করে তোলা অত্যন্ত জরুরি।

প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, বাংলাদেশে মাথাপিছু বই পড়ার হার এবং বই পড়ার জন্য ব্যয়িত সময় তুলনামূলকভাবে কম। তাঁর প্রত্যাশা, অমর একুশে বইমেলা কেবল একটি উৎসব হিসেবেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং এটি মানুষকে বইয়ের প্রতি আরও আগ্রহী করে তুলবে এবং নিয়মিত বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে সহায়তা করবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

উজিরপুরে অগ্নিকাণ্ডে ৫ পরিবারের স্বপ্ন ভস্ম, লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি

বইয়ের প্রতি তরুণ প্রজন্মকে আগ্রহী করে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

আপডেট সময় : ০৪:৫৭:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছেন। তিনি বলেন, নিয়মিত বই পড়া মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বৃদ্ধিতে সহায়ক। গবেষণায় দেখা গেছে, এটি স্মৃতিশক্তি ও বিশ্লেষণাত্মক ক্ষমতা বাড়াতে এবং আলঝেইমার ও ডিমেনশিয়ার মতো রোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।

বৃহস্পতিবার বিকেলে অমর একুশে বইমেলা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এই কথা বলেন। বই পড়ার গুরুত্ব অপরিসীম উল্লেখ করে তিনি বলেন, “বই ছাড়া ঘর আত্মা ছাড়া দেহের মতো।” তিনি বইকে কেবল জ্ঞান অর্জনের মাধ্যম বা অবসরের সঙ্গী হিসেবে না দেখে মস্তিষ্কের ব্যায়াম হিসেবেও অভিহিত করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সময়ে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যাপক প্রসার, বিশেষ করে ইন্টারনেট আসক্তি তরুণ প্রজন্মকে বইবিমুখ করে তুলছে। যদিও ইন্টারনেটের মাধ্যমেও জ্ঞানার্জন সম্ভব, তবে বইয়ের পাতায় মুদ্রিত অক্ষরের মাধ্যমে যে গভীর জ্ঞান লাভ করা যায়, তা দীর্ঘক্ষণ স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থেকে অর্জন করা কঠিন। এর পাশাপাশি শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপরও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

তিনি যুক্তরাজ্য ও কানাডার মতো উন্নত দেশগুলোর বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণার উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, ইন্টারনেট আসক্তি শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ কমিয়ে দিতে পারে। প্রযুক্তির ব্যবহার জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠলেও এর ক্ষতিকর দিকগুলো সম্পর্কেও আমাদের সচেতন থাকতে হবে। তাই, তরুণদের বইয়ের প্রতি আরও বেশি আগ্রহী করে তোলা অত্যন্ত জরুরি।

প্রধানমন্ত্রী আরও জানান, বাংলাদেশে মাথাপিছু বই পড়ার হার এবং বই পড়ার জন্য ব্যয়িত সময় তুলনামূলকভাবে কম। তাঁর প্রত্যাশা, অমর একুশে বইমেলা কেবল একটি উৎসব হিসেবেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং এটি মানুষকে বইয়ের প্রতি আরও আগ্রহী করে তুলবে এবং নিয়মিত বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে সহায়তা করবে।