ঢাকা ১২:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬

গাজাগামী ত্রাণবহরের কর্মীদের ওপর ইসরায়েলি বাহিনীর অমানবিক নির্যাতনের অভিযোগ

গাজা অভিমুখে যাওয়া ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’ থেকে আটক হওয়া মানবাধিকার কর্মীদের ওপর ইসরায়েলি বাহিনীর ভয়াবহ নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। ফিলিস্তিনি মানবাধিকার সংস্থা ‘আদালাহ’-এর একজন আইনজীবী জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক পানিসীমা থেকে আটক করার পর এসব কর্মীদের ওপর শারীরিক ও মানসিক নিপীড়ন চালানো হয়েছে।

আইনজীবী লুবনা তুমা জানান, আটককৃতদের মধ্যে ব্রাজিলিয়ান অধিকারকর্মী থিয়াগো আভিলা এবং ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত সাইফ আবু কেশেককে পৃথক করে ইসরায়েলে নিয়ে যাওয়া হয়। বন্দি অবস্থায় তাদের চোখ বেঁধে উপুড় করে শুইয়ে রাখা হতো এবং দীর্ঘ সময় ধরে মারধর করা হতো। নির্যাতনের তীব্রতায় থিয়াগো আভিলা অন্তত দুইবার জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছিলেন বলে জানা গেছে।

শনিবার বন্দিদের সঙ্গে সাক্ষাতের পর আইনজীবী তুমা বলেন, ইসরায়েলি বাহিনী আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে এই অমানবিক নির্যাতন চালিয়েছে। একে স্পষ্টত ‘নির্যাতন’ হিসেবে অভিহিত করে তিনি বিশ্ব সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। এর আগে গত সপ্তাহে ত্রাণবহরটি আটকে দিয়ে অধিকাংশ সদস্যকে গ্রিসের পানিসীমায় ছেড়ে দিলেও এই দুজনকে বন্দি করে রাখে ইসরায়েল।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ নিয়ে বড় ধরনের বিপর্যয়ের শঙ্কা সাবেক নৌ কর্মকর্তার

গাজাগামী ত্রাণবহরের কর্মীদের ওপর ইসরায়েলি বাহিনীর অমানবিক নির্যাতনের অভিযোগ

আপডেট সময় : ১২:০৭:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ মে ২০২৬

গাজা অভিমুখে যাওয়া ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’ থেকে আটক হওয়া মানবাধিকার কর্মীদের ওপর ইসরায়েলি বাহিনীর ভয়াবহ নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। ফিলিস্তিনি মানবাধিকার সংস্থা ‘আদালাহ’-এর একজন আইনজীবী জানিয়েছেন, আন্তর্জাতিক পানিসীমা থেকে আটক করার পর এসব কর্মীদের ওপর শারীরিক ও মানসিক নিপীড়ন চালানো হয়েছে।

আইনজীবী লুবনা তুমা জানান, আটককৃতদের মধ্যে ব্রাজিলিয়ান অধিকারকর্মী থিয়াগো আভিলা এবং ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত সাইফ আবু কেশেককে পৃথক করে ইসরায়েলে নিয়ে যাওয়া হয়। বন্দি অবস্থায় তাদের চোখ বেঁধে উপুড় করে শুইয়ে রাখা হতো এবং দীর্ঘ সময় ধরে মারধর করা হতো। নির্যাতনের তীব্রতায় থিয়াগো আভিলা অন্তত দুইবার জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছিলেন বলে জানা গেছে।

শনিবার বন্দিদের সঙ্গে সাক্ষাতের পর আইনজীবী তুমা বলেন, ইসরায়েলি বাহিনী আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে এই অমানবিক নির্যাতন চালিয়েছে। একে স্পষ্টত ‘নির্যাতন’ হিসেবে অভিহিত করে তিনি বিশ্ব সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। এর আগে গত সপ্তাহে ত্রাণবহরটি আটকে দিয়ে অধিকাংশ সদস্যকে গ্রিসের পানিসীমায় ছেড়ে দিলেও এই দুজনকে বন্দি করে রাখে ইসরায়েল।