ঢাকা ০৫:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বইমেলা জাতীয় মেধা ও মননের প্রতিচ্ছবি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৪০:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ০ বার পড়া হয়েছে

বাঙালির প্রাণের উৎসব অমর একুশে বইমেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার বিকেলে মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই আয়োজনকে জাতীয় মেধা ও মননের অনন্য প্রতিচ্ছবি হিসেবে অভিহিত করেন।

বৃহস্পতিবার দুপুর ৩টার দিকে আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এবারের বইমেলার শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন। উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি বলেন, অমর একুশে বইমেলা কেবল একটি মেলা নয়, বরং এটি আমাদের সাংস্কৃতিক চেতনা, সৃজনশীলতা এবং জাতিগত পরিচয়ের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। দেশের শিল্প-সাহিত্য ও চিন্তাশীলতার বিকাশে এই মেলার ভূমিকা অপরিসীম।

প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, একটি জ্ঞানভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণে বইয়ের কোনো বিকল্প নেই। নতুন প্রজন্মের কাছে সঠিক ইতিহাস ও সাহিত্য তুলে ধরতে এই আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। বইমেলা আমাদের শেকড়ের সন্ধান দেয় এবং একটি সমৃদ্ধ রাষ্ট্র গঠনে মেধা বিকাশের পথ প্রশস্ত করে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী মেলার বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন এবং লেখক ও প্রকাশকদের সাথে কুশল বিনিময় করেন। বাঙালির সাহিত্যচর্চার এই মহোৎসবকে ঘিরে লেখক, পাঠক ও দর্শনার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বইয়ের প্রতি তরুণ প্রজন্মকে আগ্রহী করে তোলার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

বইমেলা জাতীয় মেধা ও মননের প্রতিচ্ছবি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

আপডেট সময় : ০৩:৪০:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাঙালির প্রাণের উৎসব অমর একুশে বইমেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার বিকেলে মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই আয়োজনকে জাতীয় মেধা ও মননের অনন্য প্রতিচ্ছবি হিসেবে অভিহিত করেন।

বৃহস্পতিবার দুপুর ৩টার দিকে আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এবারের বইমেলার শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন। উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি বলেন, অমর একুশে বইমেলা কেবল একটি মেলা নয়, বরং এটি আমাদের সাংস্কৃতিক চেতনা, সৃজনশীলতা এবং জাতিগত পরিচয়ের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। দেশের শিল্প-সাহিত্য ও চিন্তাশীলতার বিকাশে এই মেলার ভূমিকা অপরিসীম।

প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, একটি জ্ঞানভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণে বইয়ের কোনো বিকল্প নেই। নতুন প্রজন্মের কাছে সঠিক ইতিহাস ও সাহিত্য তুলে ধরতে এই আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। বইমেলা আমাদের শেকড়ের সন্ধান দেয় এবং একটি সমৃদ্ধ রাষ্ট্র গঠনে মেধা বিকাশের পথ প্রশস্ত করে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী মেলার বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন এবং লেখক ও প্রকাশকদের সাথে কুশল বিনিময় করেন। বাঙালির সাহিত্যচর্চার এই মহোৎসবকে ঘিরে লেখক, পাঠক ও দর্শনার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে।