আসন্ন ঈদে ঘরমুখো মানুষের যাতায়াত নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করতে কঠোর অবস্থান ঘোষণা করেছেন নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি জানিয়েছেন, মালিক ও শ্রমিক সংগঠনের সমঝোতার ভিত্তিতে নির্দিষ্ট ফি বা চাঁদা আদায় নিয়মসম্মত হলেও এর বাইরে যেকোনো ধরনের অবৈধ চাঁদাবাজি কঠোরভাবে দমন করা হবে।
বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত ঈদ-পূর্ববর্তী নৌযাত্রা প্রস্তুতি সংক্রান্ত এক সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, “বাস মালিক বা সমিতি যদি নিজেদের মধ্যে সমঝোতার ভিত্তিতে কোনো চাঁদা গ্রহণ করে, তবে সেটি বৈধ প্রক্রিয়ার অংশ। কিন্তু সাধারণ যাত্রী বা পরিবহন শ্রমিকদের জিম্মি করে কেউ যদি অবৈধভাবে অর্থ আদায় বা চাঁদাবাজি করে, তবে তা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না।”
বিগত বছরের ঈদযাত্রার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে শেখ রবিউল আলম বলেন, গত বছর নৌ ও সড়কপথে যাত্রীদের যাতায়াত তুলনামূলক স্বস্তিদায়ক ছিল। এবার সেই ধারা বজায় রেখে সেবার মান আরও উন্নত করার এবং যাত্রা আরও সহজতর করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে সরকার।
ঈদের সময় যাত্রী ভোগান্তি কমাতে বিশেষ নজরদারির ঘোষণা দিয়ে মন্ত্রী আরও জানান, ঈদের আগের ৫ দিন এবং পরের ৫ দিন—মোট ১০ দিন সড়ক ও নৌপথের সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এই সময়ে যাত্রী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং বিশৃঙ্খলা এড়াতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সজাগ থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 






















