ঢাকা ০২:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বিশ্ব মঞ্চে বাংলার বাউল সুর: আরমীন মুসার নতুন প্রয়াস ‘বাংলা বাউল ফোক ভোকাল’

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৫১:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

বিশ্বের অন্যতম প্রধান সংগীত প্রযোজনা প্ল্যাটফর্ম ‘স্প্লাইস’-এ সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে বাংলাদেশের সংগীতশিল্পী আরমীন মুসার একটি উল্লেখযোগ্য সংগীত প্রকল্প—‘বাংলা বাউল ফোক ভোকাল’। ভারতীয় সুরকার ধ্রুব গোয়েলের লেবেল ‘আরহো’-এর সঙ্গে যৌথভাবে নির্মিত এই সংগীত সম্ভারটি বাংলার শতাব্দীপ্রাচীন আধ্যাত্মিক লোকসংগীত, বিশেষ করে বাউল সংগীতের নিগূঢ় আবেগ ও গভীরতাকে বিশ্ব সংগীতের সঙ্গে এক নতুন আঙ্গিকে পরিচয় করিয়ে দিয়েছে।

এই সংগীত সংগ্রহে থাকা সুরগুলো ইলেকট্রনিক সংগীত, চলচ্চিত্রের আবহ সংগীত, সাউন্ড ডিজাইনসহ বিভিন্ন আধুনিক মাধ্যমে সংগীত আয়োজনে ব্যবহারের উপযোগী বলে জানানো হয়েছে। ‘বাংলা বাউল ফোক ভোকাল’ প্রকল্পে মূল কণ্ঠ দিয়েছেন প্রখ্যাত বাউলশিল্পী বেবি আখতার এবং লোকমান সিদ্দিকী। পুরো প্রকল্পটি প্রযোজনা করেছেন আরমীন মুসা, এবং সাউন্ড মিক্সিংয়ের কাজটি করেছেন ইফতেখারুল আলম শুভ।

প্রকল্পের প্রযোজক আরমীন মুসা বলেন, “বেবি আখতার এবং লোকমান সিদ্দিকী উভয়েই অসাধারণ গেয়েছেন। তাদের কণ্ঠে বাংলার বাউল ধারার আধ্যাত্মিক, কাব্যিক এবং স্বতঃস্ফূর্ত বৈশিষ্ট্য অত্যন্ত প্রাণবন্তভাবে ফুটে উঠেছে। এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হলো বাউল সংগীতকে কেবল একটি সংরক্ষিত লোকঐতিহ্য হিসেবেই তুলে ধরা নয়, বরং একে আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ একটি নবীন ধারা হিসেবে উপস্থাপন করা।”

উল্লেখযোগ্য যে, এর পূর্বে ব্রিটিশ-বাংলাদেশি সুরকার ও প্রযোজক কিশোন খানও তাঁর একটি প্রকল্পে বেবি আখতারের সঙ্গে কাজ করেছিলেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজনগরে ক্রিকেট খেলা নিয়ে বিরোধ: ছুরিকাঘাতে হিফজ বিভাগের ছাত্র নিহত

বিশ্ব মঞ্চে বাংলার বাউল সুর: আরমীন মুসার নতুন প্রয়াস ‘বাংলা বাউল ফোক ভোকাল’

আপডেট সময় : ০৭:৫১:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বিশ্বের অন্যতম প্রধান সংগীত প্রযোজনা প্ল্যাটফর্ম ‘স্প্লাইস’-এ সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে বাংলাদেশের সংগীতশিল্পী আরমীন মুসার একটি উল্লেখযোগ্য সংগীত প্রকল্প—‘বাংলা বাউল ফোক ভোকাল’। ভারতীয় সুরকার ধ্রুব গোয়েলের লেবেল ‘আরহো’-এর সঙ্গে যৌথভাবে নির্মিত এই সংগীত সম্ভারটি বাংলার শতাব্দীপ্রাচীন আধ্যাত্মিক লোকসংগীত, বিশেষ করে বাউল সংগীতের নিগূঢ় আবেগ ও গভীরতাকে বিশ্ব সংগীতের সঙ্গে এক নতুন আঙ্গিকে পরিচয় করিয়ে দিয়েছে।

এই সংগীত সংগ্রহে থাকা সুরগুলো ইলেকট্রনিক সংগীত, চলচ্চিত্রের আবহ সংগীত, সাউন্ড ডিজাইনসহ বিভিন্ন আধুনিক মাধ্যমে সংগীত আয়োজনে ব্যবহারের উপযোগী বলে জানানো হয়েছে। ‘বাংলা বাউল ফোক ভোকাল’ প্রকল্পে মূল কণ্ঠ দিয়েছেন প্রখ্যাত বাউলশিল্পী বেবি আখতার এবং লোকমান সিদ্দিকী। পুরো প্রকল্পটি প্রযোজনা করেছেন আরমীন মুসা, এবং সাউন্ড মিক্সিংয়ের কাজটি করেছেন ইফতেখারুল আলম শুভ।

প্রকল্পের প্রযোজক আরমীন মুসা বলেন, “বেবি আখতার এবং লোকমান সিদ্দিকী উভয়েই অসাধারণ গেয়েছেন। তাদের কণ্ঠে বাংলার বাউল ধারার আধ্যাত্মিক, কাব্যিক এবং স্বতঃস্ফূর্ত বৈশিষ্ট্য অত্যন্ত প্রাণবন্তভাবে ফুটে উঠেছে। এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হলো বাউল সংগীতকে কেবল একটি সংরক্ষিত লোকঐতিহ্য হিসেবেই তুলে ধরা নয়, বরং একে আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ একটি নবীন ধারা হিসেবে উপস্থাপন করা।”

উল্লেখযোগ্য যে, এর পূর্বে ব্রিটিশ-বাংলাদেশি সুরকার ও প্রযোজক কিশোন খানও তাঁর একটি প্রকল্পে বেবি আখতারের সঙ্গে কাজ করেছিলেন।