অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী সম্প্রতি তাকে ঘিরে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত খবরের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন। একটি শীর্ষস্থানীয় জাতীয় দৈনিকের সিনিয়র সাব-এডিটর ও নিউজ রাইটার হিসেবে, আমরা এই ঘটনাটির পেশাদার বিশ্লেষণ তুলে ধরছি।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং কিছু অনলাইন পোর্টালে অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরীকে বিমানবন্দরে অবৈধ পণ্যসহ আটক হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ে। এই খবরকে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও মানহানিকর আখ্যা দিয়ে মেহজাবীন চৌধুরী তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্টের মাধ্যমে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, তার নামে অপবাদ ছড়িয়ে সম্মানহানি করার চেষ্টার প্রতিবাদে তিনি আইনি পদক্ষেপ নিয়েছেন।
মেহজাবীন তার পোস্টে উল্লেখ করেছেন, “সাম্প্রতিক যে ঘটনাটি নিয়ে আমাকে উদ্দেশ্য করে মানহানিকর প্রচার চালানো হয়েছে, সে বিষয়ে আমি ইতোমধ্যে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। এ প্রসঙ্গে কয়েকটি বিষয় পরিষ্কারভাবে জানাতে চাই।” তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, উল্লিখিত কোনো ঘটনায় তাকে বিমানবন্দরে থামানো হয়নি, তার কোনো হ্যান্ডব্যাগ বা লাগেজ আটক করা হয়নি এবং তার লাগেজ বা হ্যান্ডব্যাগে কোনো অভিযোগের বস্তু পাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। তিনি প্রশ্ন তোলেন, “যেসব কথা ছড়ানো হচ্ছে, সেরকম কোনো ঘটনার মুখোমুখি আমি হইনি। বিমানবন্দরের কোনো কর্মকর্তা আমাকে কোনরুপ জিজ্ঞাসাবাদও করেননি। আমাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার, আমার লাগেজ থেকে কিছু অবৈধ কিছু বের হওয়ার কোনো ছবি, ভিডিও বা কোনো ধরনের প্রমাণ কি আছে?”
ক্ষোভ প্রকাশ করে মেহজাবীন বলেন, “দুর্ভাগ্যজনকভাবে মানহানি এখন খুব স্বাভাবিক ব্যাপারে পরিণত হয়েছে। যে খবরটি ছড়ানো হয়েছে, তার নিরিখে একটিও প্রমাণ কেউ দিতে পারেনি যে আমার লাগেজে অবৈধ কিছু পাওয়া গেছে। অথচ ক্লিকবেইটের জন্য আমার ছবি ব্যবহার করা হয়েছে।” তিনি এই ধরনের ঘটনাকে অত্যন্ত উদ্বেগজনক বলে অভিহিত করেন এবং বলেন যে কারোরই এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়া কাম্য নয়। তিনি আবারও স্পষ্ট করেন যে, তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত সকল অভিযোগ অমূলক এবং প্রকাশিত অপ্রীতিকর ঘটনার সঙ্গে তার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।
উল্লেখ্য, মাস তিনেক আগে পারিবারিক ব্যবসায় অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে একটি আইনি জটিলতায় পড়েছিলেন মেহজাবীন, যদিও পরবর্তীতে আদালত থেকে তিনি অব্যাহতি পান। সাম্প্রতিক এই বিতর্কের সূত্রপাত হয় একটি খবরের মাধ্যমে, যেখানে দাবি করা হয়েছিল যে গত ১৭ আগস্ট ব্যাংকক থেকে ফেরার পথে মদের বোতলসহ মেহজাবীন ও তার স্বামী বিমানবন্দরে আটক হন। তবে এই তথ্যের কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি। এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতেই মেহজাবীন সরাসরি মানহানির দাবি করে আইনি পথে হাঁটার ঘোষণা দিলেন।
রিপোর্টারের নাম 























