ঢাকা ০৯:২৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

গোপালগঞ্জে আধিপত্যের দ্বন্দ্বে রক্তপাত, নিহত ১, আহত ১১

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৯:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই দল বিএনপি সমর্থিত কর্মীর সংঘর্ষে নিলু মুন্সী (৫০) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় নারীসহ আরও ১১ জন আহত হয়েছেন। নিহত নিলু মুন্সী কমলাপুর গ্রামের আনোয়ার মুন্সীর ছেলে। দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরেই এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে মুকসুদপুর উপজেলার কমলাপুর গ্রামে আনোয়ার মুন্সী গোষ্ঠী ও নূর ইসলাম গোষ্ঠীর মধ্যে এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। সংঘর্ষের প্রাথমিক পর্যায়ে আনোয়ার মুন্সীর সমর্থকরা হাসপাতালের সামনে নূর ইসলামকে আক্রমণ করে, এতে তিনি আহত হন। এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় নূর ইসলামের অনুসারীরা আনোয়ার মুন্সীর বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। পরবর্তীতে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

সংঘর্ষে উভয় পক্ষের নারীসহ অন্তত ১১ জন আহত হন। আহতদের প্রথমে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় নিলু মুন্সী (৫০), তার স্ত্রী রুপা বেগম (৪০), ভাই মিলন মুন্সী (৫২) এবং দুলাল মুন্সীকে (৪০) উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক নিলু মুন্সীকে মৃত ঘোষণা করেন। অন্যপক্ষের আহত নূর ইসলামকে (৩৩) মুকসুদপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকি আহতদের মুকসুদপুর হাসপাতালেই প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

মুকসুদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশ সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। বর্তমানে ঘটনাস্থলে পুলিশ, সেনাবাহিনী এবং র্যাবের সদস্যরা উপস্থিত রয়েছেন। এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বঙ্গোপসাগরে আমাদের কৌশলগত ভবিষ্যৎ

গোপালগঞ্জে আধিপত্যের দ্বন্দ্বে রক্তপাত, নিহত ১, আহত ১১

আপডেট সময় : ০৯:৫৯:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই দল বিএনপি সমর্থিত কর্মীর সংঘর্ষে নিলু মুন্সী (৫০) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় নারীসহ আরও ১১ জন আহত হয়েছেন। নিহত নিলু মুন্সী কমলাপুর গ্রামের আনোয়ার মুন্সীর ছেলে। দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরেই এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে মুকসুদপুর উপজেলার কমলাপুর গ্রামে আনোয়ার মুন্সী গোষ্ঠী ও নূর ইসলাম গোষ্ঠীর মধ্যে এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। সংঘর্ষের প্রাথমিক পর্যায়ে আনোয়ার মুন্সীর সমর্থকরা হাসপাতালের সামনে নূর ইসলামকে আক্রমণ করে, এতে তিনি আহত হন। এই ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় নূর ইসলামের অনুসারীরা আনোয়ার মুন্সীর বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালায়। পরবর্তীতে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

সংঘর্ষে উভয় পক্ষের নারীসহ অন্তত ১১ জন আহত হন। আহতদের প্রথমে মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় নিলু মুন্সী (৫০), তার স্ত্রী রুপা বেগম (৪০), ভাই মিলন মুন্সী (৫২) এবং দুলাল মুন্সীকে (৪০) উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক নিলু মুন্সীকে মৃত ঘোষণা করেন। অন্যপক্ষের আহত নূর ইসলামকে (৩৩) মুকসুদপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকি আহতদের মুকসুদপুর হাসপাতালেই প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

মুকসুদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশ সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। বর্তমানে ঘটনাস্থলে পুলিশ, সেনাবাহিনী এবং র্যাবের সদস্যরা উপস্থিত রয়েছেন। এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।