ঢাকা ০৫:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৬ মে ২০২৬

পুরোনো ঢাকায় এসি গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে এক তরুণের মৃত্যু, দগ্ধ অন্য দুজনও আশঙ্কাজনক

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:৩৪:৪৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৯ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর পুরোনো ঢাকার নারিন্দা কাঁচাবাজার এলাকায় এয়ার কন্ডিশনার (এসি) গ্যাসভর্তি সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ তিনজনের মধ্যে সেলিম (৩০) নামে এক তরুণের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার রাত ৯টা ৪০ মিনিটে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সেলিমের শরীরের প্রায় পুরোটাই পুড়ে গিয়েছিল এবং শুরু থেকেই তার অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক ছিল। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে এই মর্মান্তিক বিস্ফোরণের ঘটনাটি ঘটে। নারিন্দা কাঁচাবাজার এলাকার একটি বাসায় এই দুর্ঘটনা ঘটে, যার ফলে একই পরিবারের তিনজন—মুক্তার ব্যাপারী (৫৫), তার স্ত্রী সেলিনা বেগম (৪৫) এবং তাদের ছেলে সেলিম—গুরুতর দগ্ধ হন। তাদের দ্রুত উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।

চিকিৎসকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সেলিমের মৃত্যুর পর মুক্তার ব্যাপারীর শরীরের ২২ শতাংশ এবং সেলিনা বেগমের ২০ শতাংশ পুড়ে গেছে। তাদের অবস্থাও এখনও সংকটজনক বলে জানা গেছে।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মুক্তার ব্যাপারী, যিনি ফ্রিজ ও এসির যন্ত্রাংশের ব্যবসার সঙ্গে জড়িত, তার বাসায় ব্যবসায়িক কাজে ব্যবহৃত এসি গ্যাসভর্তি একটি সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়ে এই আগুনের সূত্রপাত ঘটে। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে, বাড়ির একটি দেয়াল ধসে পাশের একটি টিনশেড ঘরের ওপর পড়ে। এতে টিনশেড ঘরটির চাল ভেঙে যায় এবং ভেতরে থাকা এক নারীও আহত হন। তাকেও উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আইপিএলের মেগা ফাইনাল আহমেদাবাদে, চূড়ান্ত সূচি ঘোষণা করল বিসিসিআই

পুরোনো ঢাকায় এসি গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে এক তরুণের মৃত্যু, দগ্ধ অন্য দুজনও আশঙ্কাজনক

আপডেট সময় : ০৬:৩৪:৪৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

রাজধানীর পুরোনো ঢাকার নারিন্দা কাঁচাবাজার এলাকায় এয়ার কন্ডিশনার (এসি) গ্যাসভর্তি সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ তিনজনের মধ্যে সেলিম (৩০) নামে এক তরুণের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার রাত ৯টা ৪০ মিনিটে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সেলিমের শরীরের প্রায় পুরোটাই পুড়ে গিয়েছিল এবং শুরু থেকেই তার অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক ছিল। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে এই মর্মান্তিক বিস্ফোরণের ঘটনাটি ঘটে। নারিন্দা কাঁচাবাজার এলাকার একটি বাসায় এই দুর্ঘটনা ঘটে, যার ফলে একই পরিবারের তিনজন—মুক্তার ব্যাপারী (৫৫), তার স্ত্রী সেলিনা বেগম (৪৫) এবং তাদের ছেলে সেলিম—গুরুতর দগ্ধ হন। তাদের দ্রুত উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।

চিকিৎসকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সেলিমের মৃত্যুর পর মুক্তার ব্যাপারীর শরীরের ২২ শতাংশ এবং সেলিনা বেগমের ২০ শতাংশ পুড়ে গেছে। তাদের অবস্থাও এখনও সংকটজনক বলে জানা গেছে।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মুক্তার ব্যাপারী, যিনি ফ্রিজ ও এসির যন্ত্রাংশের ব্যবসার সঙ্গে জড়িত, তার বাসায় ব্যবসায়িক কাজে ব্যবহৃত এসি গ্যাসভর্তি একটি সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়ে এই আগুনের সূত্রপাত ঘটে। বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে, বাড়ির একটি দেয়াল ধসে পাশের একটি টিনশেড ঘরের ওপর পড়ে। এতে টিনশেড ঘরটির চাল ভেঙে যায় এবং ভেতরে থাকা এক নারীও আহত হন। তাকেও উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।