চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য এম এ হান্নান ঘোষণা দিয়েছেন, জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে তিনি ফরিদগঞ্জ উপজেলাকে মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত করতে বদ্ধপরিকর। তার স্পষ্ট বার্তা, ফরিদগঞ্জের মাটিতে কোনো মাদক ব্যবসায়ী, চাঁদাবাজ বা সন্ত্রাসীর ঠাঁই হবে না এবং অপরাধী যেই হোক না কেন, তাকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সকালে উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি এই কঠোর অবস্থানের কথা জানান।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেটু কুমার বড়ুয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি হান্নান বলেন, “আমি রাতের ভোটে বা প্রশাসনের সহযোগিতায় এমপি হইনি। আমি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েছি, তাই জনগণের প্রত্যাশা পূরণে ফরিদগঞ্জকে একটি নিরাপদ উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলাই আমার প্রধান লক্ষ্য।”
তিনি প্রশাসন ও পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, “জনগণের শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য আইনের সর্বোচ্চ প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। এক্ষেত্রে অপরাধী যদি আমি বা আমার ছেলেও হয়, তার কোনো ক্ষমা নেই। এতদিন কী হয়েছে, তা নিয়ে আমার কোনো প্রশ্ন নেই, তবে ভবিষ্যতে কোনো অন্যায়কারীকে প্রশ্রয় দেওয়া চলবে না। কোনো অবৈধ তদবিরও বরদাস্ত করা হবে না।”
নিজের পারিবারিক পরিধি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দিয়ে এমপি হান্নান বলেন, “আপনারা সকলে মনে রাখবেন, আমি, আমার স্ত্রী ও দুই সন্তান ছাড়া আমার পরিবারের আর কেউ নেই। সুতরাং, আপনারা নিশ্চিন্তে ও নির্ভয়ে নিজেদের দায়িত্ব পালন করুন। যদি কেউ মনে করেন যে আপনারা দায়িত্ব পালনে অপারগ, তাহলে আপনারা চলে যেতে পারেন, এতে কোনো সমস্যা নেই।”
মাদক নির্মূলের ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, ফরিদগঞ্জ উপজেলায় চিহ্নিত ৩০ থেকে ৩৫ জন মাদক ব্যবসায়ী রয়েছে। এদের সমূলে উৎপাটন করতে পারলে উপজেলা অনেকাংশেই মাদক মুক্ত হবে।
সভায় আরও বক্তব্য রাখেন ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. হেলাল উদ্দিন, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান, ফরিদগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি মামুনুর রশিদ পাঠান, সাবেক সভাপতি নুরুন্নবী নোমান, ইউপি চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান, এইচ এম হারুনুর রশিদ, শাহ আল শেখ, বেলায়েত হোসেন, মহসিন হোসেন, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জহিরুল ইসলাম, হুমায়ুন কবির প্রমুখ।
রিপোর্টারের নাম 























