সিলেট সিটি করপোরেশনের (সিসিক) নবনিযুক্ত প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী দায়িত্ব গ্রহণের পর তার প্রথম কাজ হবে নাগরিক সেবা কার্যক্রমকে গতিশীল করা। একই সঙ্গে তিনি সিসিককে একটি স্বচ্ছ ও প্রাণবন্ত প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার অঙ্গীকার করেছেন। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) নিয়োগ লাভের পর এক প্রাথমিক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
ফোনালাপে নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করে আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, ‘সিলেট সিটি করপোরেশনকে একটি ভাইব্রেন্ট প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত করতে চাই। এর প্রতিটি সেক্টরের কার্যক্রম পরিচালিত হবে স্বচ্ছতার ভিত্তিতে।’ তিনি আরও জানান, আজ নিয়োগের আদেশ হাতে পেয়েছেন এবং মঙ্গলবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কাজে যোগদান করবেন। দায়িত্ব বুঝে নেওয়ার পর তিনি করপোরেশনের সার্বিক হাল-হকিকত পর্যালোচনা করে ভবিষ্যতের কর্মপরিকল্পনা ঠিক করবেন। সকলের সহযোগিতা নিয়ে এই গুরুদায়িত্ব যথাযথভাবে পালনে আশাবাদী তিনি।
নবনিযুক্ত এই প্রশাসক, যিনি জেলা বিএনপির সভাপতিও, তাকে এই পদে নিয়োগ দেওয়ায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ছাত্ররাজনীতির সময় থেকেই তিনি সিলেটের মানুষের সুখে-দুঃখে সবসময় পাশে ছিলেন। তার প্রধান লক্ষ্য হবে নগরের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সঠিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে কিনা তা নিশ্চিত করা এবং নগরবাসী যাতে যথাযথ নাগরিক সেবা পান, সেই বিষয়টি নিশ্চিত করা।
উল্লেখ্য, গত রোববার স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীকে সিলেট সিটি করপোরেশনের পূর্ণকালীন প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এই প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, করপোরেশনের নতুন বোর্ড গঠন না হওয়া পর্যন্ত অথবা পরবর্তী নির্দেশ না আসা পর্যন্ত তিনি মেয়রের ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করবেন।
আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরীর রাজনৈতিক পরিচিতি বেশ দীর্ঘ। তিনি সর্বশেষ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট-৩ আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন। যদিও তিনি দলীয় মনোনয়ন পাননি, তবে দলের সিদ্ধান্ত মেনে সিলেট জেলার ছয়টি আসনে বিএনপির নির্বাচনী সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেন। ওই নির্বাচনে জেলার ছয়টির মধ্যে ৫টি আসনে বিএনপি জয়লাভ করে। এছাড়াও, তিনি বর্তমানে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) সিন্ডিকেট সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
রিপোর্টারের নাম 























