ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে শহীদ মিনারে ফুল দেওয়াকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট উত্তেজনা নতুন মোড় নিয়েছে। সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার সমর্থকদের বিরুদ্ধে এবার পাল্টা মামলা দায়ের করা হয়েছে। রোববার রাতে স্থানীয় এক ব্যবসায়ীর কর্মচারী বাদী হয়ে সরাইল থানায় এই মামলা করেন, যেখানে ১৭ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরও শতাধিক ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। এর আগে একই ঘটনায় রুমিন ফারহানার এক সমর্থকও মামলা করেছিলেন।
সরাইল থানায় দায়ের করা এই মামলায় (নম্বর: ১৭, তারিখ: ২৬/২/২৩ ইং) অভিযোগ করা হয়েছে যে, একুশে ফেব্রুয়ারির ভোরে অভিযুক্তরা স্থানীয় বিএনপি নেতা আনোয়ার হোসেনের মালিকানাধীন ‘ফারজানা আনোয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টার’ ও তাঁর বাসভবনের সামনে জড়ো হয়ে অশালীন গালাগাল শুরু করে। প্রতিবাদ করতে গেলে বাদীকে মারধর করা হয় এবং তাঁর কাছ থেকে টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়। এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, শহীদ মিনারে স্লোগান দেওয়াকে কেন্দ্র করেই মূলত এই উত্তেজনার সূত্রপাত।
এর আগে, রোববার দুপুরে সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার সমর্থক মো. আহাদ অভিযোগ করে একটি মামলা দায়ের করেন। সেই মামলায় শহীদ মিনারে ফুল দিতে গিয়ে বাধা ও মারধরের শিকার হওয়ার কথা বলা হয়। ওই মামলায় বিএনপি নেতা আনোয়ার হোসেন মাস্টারকে প্রধান আসামি করা হয়েছিল, যিনি পরবর্তীতে জামিন লাভ করেছেন বলে সরাইল উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নুরুজ্জামান লস্কর তপু নিশ্চিত করেছেন।
উল্লেখ্য, গত ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে নিজ সংসদীয় এলাকা সরাইল উপজেলায় শহীদ মিনারে ফুল দিতে যান রুমিন ফারহানা। সেখানে তিনি বাধার মুখে পড়েন এবং তাঁর সমর্থকদের ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনার পর তিনি শ্রদ্ধা নিবেদন না করেই স্থান ত্যাগ করেন।
সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঞ্জুর কাদের ভূঁইয়া উভয় মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
রিপোর্টারের নাম 























