সাভারের বিরুলিয়া ইউনিয়নে পোশাক কারখানার ঝুট ব্যবসা দখলকে কেন্দ্র করে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মোটরসাইকেল মহড়া ও প্রতিপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে অন্তত আটজন আহত হয়েছেন। গতকাল রোববার দুপুরে বিরুলিয়ার জিঞ্জিরা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। আহতদের স্থানীয় ক্লিনিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত পাঁচ-ছয় দিন ধরে বিরুলিয়া ইউনিয়নের জিঞ্জিরা এলাকার তিতাস গার্মেন্ট ও এপিটেক ফ্যাক্টরির ঝুট ব্যবসা নিয়ন্ত্রণে নিতে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা মোটরসাইকেলযোগে মহড়া দিচ্ছিল। গতকাল রোববার দুপুরে তারা জিনজিরা এলাকার তিতাস গার্মেন্টস কারখানার ঝুট দখল করতে গেলে প্রতিপক্ষ ও এলাকাবাসীর প্রতিরোধের মুখে পড়ে। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ বেধে যায়।
সংঘর্ষে বিরুলিয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি তুহিন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক সাব্বির হোসেন, ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি শামসুল আলম, ইউনিয়ন কমিটির সদস্য বিল্লাল হোসেনসহ অন্তত আটজন আহত হন। তাদের স্থানীয় ক্লিনিকে নিয়ে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
স্থানীয় বাসিন্দা শহীদুল আমিন নয়ন জানান, গত পাঁচ-ছয় দিন ধরে ছাত্রদলের ইউনিয়ন শাখার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ২০-২২টি মোটরসাইকেল নিয়ে এলাকায় মহড়া দিয়ে আসছিলেন। তিনি আরও জানান, তারা থানা কৃষক দলের সভাপতি আবু সাঈদের কর্মী হিসেবে পরিচিত। এ বিষয়ে জানতে চাইলে আবু সাঈদ বলেন, তিনি বর্তমানে কক্সবাজারে অবস্থান করছেন এবং এই বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না।
সংঘর্ষ ও আহত হওয়ার বিষয়ে জানতে বিরুলিয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি তুহিন আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক সাব্বির হোসেনের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হয়। সাংবাদিক পরিচয় দেওয়ার পর তারা সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। এপিক কারখানার প্রশাসনিক ইনচার্জ সাবেক ফুটবলার শফিকুল কাদের মুন্না জানান, তাদের কারখানায় ছাত্রদলের কর্মীরা এসেছিল, তবে কোনো গণ্ডগোল হয়নি। তিনি পাশের তিতাস গার্মেন্ট কারখানায় সমস্যা হওয়ার কথা শুনেছেন। তিতাস গার্মেন্ট কারখানার একাধিক কর্মকর্তাকে ফোন করা হলেও তারা ফোন রিসিভ করেননি।
এ বিষয়ে সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরমান আলী জানান, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
রিপোর্টারের নাম 























