টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার এইট পর্বের টিকিট নিশ্চিত করেছে নিউজিল্যান্ড। গ্রুপ ‘ডি’ থেকে দক্ষিণ আফ্রিকার পর দ্বিতীয় দল হিসেবে কিউইরা শেষ আটে জায়গা করে নিল। কানাডাকে ৮ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারিয়ে তারা এই কৃতিত্ব অর্জন করে। কানাডার দেওয়া ১৭৪ রানের লক্ষ্যমাত্রা তাড়া করতে নেমে নিউজিল্যান্ড অপরাজিত দুই তারকার দৃঢ় ব্যাটিংয়ে ২৯ বল হাতে রেখেই জয় তুলে নেয়।
প্রথমে ব্যাট করে কানাডা নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৭৩ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়ে তোলে। দলের হয়ে ওপেনার যুবরাজ সামরা একাই তান্ডব চালান। টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে তিনি ৬৫ বলে অপরাজিত ১১০ রানের এক অনবদ্য ইনিংস খেলেন। তার এই বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে ভর করে কানাডা বড় সংগ্রহের পথে এগোয়। অধিনায়ক দিলপ্রীত বাজওয়াও তাকে যোগ্য সঙ্গ দেন, ৩৯ বলে ৩৬ রান করেন তিনি।
কানাডার দেওয়া ১৭৪ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে নিউজিল্যান্ড শুরুতে কিছুটা চাপে পড়ে। দলীয় ৩০ রানের মাথায় তারা দুই উইকেট হারায়। তবে এরপরই শুরু হয় রাচিন রবীন্দ্র এবং গ্লেন ফিলিপসের ব্যাটের ঝড়। তৃতীয় উইকেটে এই দুই তারকা অবিচ্ছিন্ন ১৪৬ রানের জুটি গড়ে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন। রাচিন ৩৯ বলে ৫৯ রান করে অপরাজিত থাকেন, আর গ্লেন ফিলিপস ৩৬ বলে অপরাজিত ৭৬ রানের এক ঝোড়ো ইনিংস খেলে ম্যাচ জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন। ফিলিপসের ইনিংসে ছিল ৪টি চার এবং ৬টি ছক্কার মার। তার এই বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ের সুবাদে তিনি ম্যাচ সেরার পুরস্কারও লাভ করেন। কানাডার হয়ে সাদ বিন জাফর ২৯ রান খরচায় একটি উইকেট লাভ করেন।
এর আগে, কানাডার ইনিংসের অন্যতম আকর্ষণ ছিল ওপেনার যুবরাজ সামরার বিস্ফোরক সেঞ্চুরি। তার ১১০ রানের ওপর ভর করে কানাডা একটি সম্মানজনক স্কোর করতে সক্ষম হয়। এছাড়া অধিনায়ক দিলপ্রীত বাজওয়া ৩৬ রান করেন। নিউজিল্যান্ডের হয়ে বোলার জ্যাকব ডুফি ২৫ রান খরচায় একটি উইকেট দখল করেন।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
কানাডা: ১৭৩/৪ (২০ ওভার) (যুবরাজ ১১০, দিলপ্রীত ৩৬; ডুফি ১/২৫)
নিউজিল্যান্ড: ১৭৬/২ (১৫.১ ওভার) (ফিলিপস ৭৬, রবীন্দ্র ৫৯; বিন জাফর ১/২৯)
ফলাফল: নিউজিল্যান্ড ৮ উইকেটে জয়ী।
ম্যাচসেরা: গ্লেন ফিলিপস।
রিপোর্টারের নাম 























